ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লীগের চতুর্থ রাউন্ডের প্রথমদিনে চার ম্যাচেই উইকেট-বৃষ্টি হল। শনিবার ৪১ উইকেট পড়েছে। ফিফটি হয়েছে মাত্র তিনটি। ফতুল্লায় প্রথম স্তরের তৃতীয় রাউন্ড শেষে শীর্ষে থাকা খুলনা ঢাকার বিপক্ষে আউট হয়েছে মাত্র ১১৭ রানে। দিনশেষে তিন উইকেটে ৭৭ রান তুলেছে ঢাকা। বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে ১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। ব্যাট করতে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান করেছে সিলেট। চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২০৮ রানে সব উইকেট হারিয়েছে রাজশাহী। ইফতেখার সাজ্জাদ পাঁচ উইকেট নেন। জবাবে কোনো উইকেট না হারিয়ে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৪৩ রান। অপর তিন ম্যাচের চেয়ে একটু আলাদা চিত্র খুলনায়। প্রথমদিনে কোনো দলের একটি ইনিংসও শেষ হয়নি এই মাঠে। রংপুরের বিপক্ষে সাত উইকেটে ২১১ করেছে ঢাকা মেট্রো।
ফতুল্লায় খুলনার সর্বোচ্চ রান ইমরুল কায়েসের (২৭)। নূরুল হাসান ২৬। কেউ বড় স্কোর করতে না পারায় মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয় পয়েন্টের শীর্ষে থাকা খুলনা। চারটি উইকেট নেন মাসুম খান। ঢাকাও ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই। ৭৭ রানে তারাও তিন উইকেট হারিয়েছে। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে প্রথমদিনের খেলা শেষ হয়ে যায়। সাত উইকেট হাতে নিয়ে খুলনার চেয়ে এখনও ৪০ রান পিছিয়ে ঢাকা। প্রথম স্তরের অপর ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করেন ঢাকা মেট্রোর শামসুর রহমান (৫১) ও আসিফ আহমেদ (৫৬)। প্রথমদিন শেষে সাত উইকেটে ২১১ রান তুলেছে ঢাকা মেট্রো। তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন সঞ্জিত সাহা ও তানভির হায়দার।
বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন অলরাউন্ডার আল-আমিন। সিলেটের নাসুম আহমেদ চারটি উইকেট নেন। সিলেট ব্যাট করতে নেমে এক উইকেটে হারিয়ে ৪৫ রান তুলেছে। ইমতিয়াজ হোসেন ২৫ ও জাকির হাসান ৯ রানে ব্যাট করছেন। প্রথম ইনিংসে বরিশালের চেয়ে ১১০ রানে পিছিয়ে অলক কাপালীর দল। হাতে রয়েছে নয় উইকেট। দ্বিতীয় স্তরের অপর ম্যাচে চট্টগ্রামের
ইফতেখার সাজ্জাদের পাঁচ উইকেটে ২০৮ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন নাজমুল হাসান
শান্ত। এছাড়া জুনায়েদ সিদ্দিকী করেন ৩৩, মুশফিকুর
রহিম আউট হন ২৪ রানে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের ৩৫* ও নাফিস ইকবালের
৭* রানে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ রান করেছে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর চেয়ে তারা ১৬৫ রানে পিছিয়ে। হাতে ১০ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
খুলনা ও ঢাকা
খুলনা প্রথম ইনিংস ১১৭/১০ (ইমরুল কায়েস ২৭, নূরুল হাসান ২৬,
আবু বক্কর ১৩*, আবদুর রাজ্জাক
১৩। মোহাম্মদ শরিফ ২/৩৫, মাসুম খান ৪/১১)।
ঢাকা প্রথম ইনিংস ৭৭/৩ (জয়রাজ শেখ ৪৯*, আবদুল মাজিদ ১০। মুস্তাফিজুর রহমান ২/৩৪)।
বরিশাল ও সিলেট
বরিশাল প্রথম ইনিংস ১৫৫/১০
(আল-আমিন ৩৬, সোহাগ গাজী ১৬, সালেহ আহমেদ ২১, গোলাম কবির ২১*। খালেদ মাহমুদ ২/২৮, নাসুম আহমেদ ৪/৩২)।
সিলেট প্রথম ইনিংস ৪৫/১ (ইমতিয়াজ হোসেন ২৫*, সায়েম আলম ১১, জাকির হাসান ৯*। )
রাজশাহী ও চট্টগ্রাম
রাজশাহী প্রথম ইনিংস ২০৮/১০ (নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৩, জুনায়েদ সিদ্দিকী ৩৩, শাকির হোসেন ২৮। ইফতেখার সাজ্জাদ ৫/৬৩, মেহেদি হাসান রানা ২/৪৮।)
চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংস ৪৩/০ (তামিম ইকবাল ৩৫*, নাফিস ইকবাল ৭*।)
ঢাকা মেট্রো ও রংপুর
ঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংস ২১১/৭ (শামসুর রহমান ৫১, আসিফ আহমেদ ৫৬, মেহরাব হোসেন ২০। সঞ্জিত সাহা ৩/৪৩, তানভির হায়দার ৩/৭৩)।
ফতুল্লায় খুলনার সর্বোচ্চ রান ইমরুল কায়েসের (২৭)। নূরুল হাসান ২৬। কেউ বড় স্কোর করতে না পারায় মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয় পয়েন্টের শীর্ষে থাকা খুলনা। চারটি উইকেট নেন মাসুম খান। ঢাকাও ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই। ৭৭ রানে তারাও তিন উইকেট হারিয়েছে। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে প্রথমদিনের খেলা শেষ হয়ে যায়। সাত উইকেট হাতে নিয়ে খুলনার চেয়ে এখনও ৪০ রান পিছিয়ে ঢাকা। প্রথম স্তরের অপর ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করেন ঢাকা মেট্রোর শামসুর রহমান (৫১) ও আসিফ আহমেদ (৫৬)। প্রথমদিন শেষে সাত উইকেটে ২১১ রান তুলেছে ঢাকা মেট্রো। তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন সঞ্জিত সাহা ও তানভির হায়দার।
বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন অলরাউন্ডার আল-আমিন। সিলেটের নাসুম আহমেদ চারটি উইকেট নেন। সিলেট ব্যাট করতে নেমে এক উইকেটে হারিয়ে ৪৫ রান তুলেছে। ইমতিয়াজ হোসেন ২৫ ও জাকির হাসান ৯ রানে ব্যাট করছেন। প্রথম ইনিংসে বরিশালের চেয়ে ১১০ রানে পিছিয়ে অলক কাপালীর দল। হাতে রয়েছে নয় উইকেট। দ্বিতীয় স্তরের অপর ম্যাচে চট্টগ্রামের
ইফতেখার সাজ্জাদের পাঁচ উইকেটে ২০৮ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন নাজমুল হাসান
শান্ত। এছাড়া জুনায়েদ সিদ্দিকী করেন ৩৩, মুশফিকুর
রহিম আউট হন ২৪ রানে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের ৩৫* ও নাফিস ইকবালের
৭* রানে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ রান করেছে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর চেয়ে তারা ১৬৫ রানে পিছিয়ে। হাতে ১০ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
খুলনা ও ঢাকা
খুলনা প্রথম ইনিংস ১১৭/১০ (ইমরুল কায়েস ২৭, নূরুল হাসান ২৬,
আবু বক্কর ১৩*, আবদুর রাজ্জাক
১৩। মোহাম্মদ শরিফ ২/৩৫, মাসুম খান ৪/১১)।
ঢাকা প্রথম ইনিংস ৭৭/৩ (জয়রাজ শেখ ৪৯*, আবদুল মাজিদ ১০। মুস্তাফিজুর রহমান ২/৩৪)।
বরিশাল ও সিলেট
বরিশাল প্রথম ইনিংস ১৫৫/১০
(আল-আমিন ৩৬, সোহাগ গাজী ১৬, সালেহ আহমেদ ২১, গোলাম কবির ২১*। খালেদ মাহমুদ ২/২৮, নাসুম আহমেদ ৪/৩২)।
সিলেট প্রথম ইনিংস ৪৫/১ (ইমতিয়াজ হোসেন ২৫*, সায়েম আলম ১১, জাকির হাসান ৯*। )
রাজশাহী ও চট্টগ্রাম
রাজশাহী প্রথম ইনিংস ২০৮/১০ (নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৩, জুনায়েদ সিদ্দিকী ৩৩, শাকির হোসেন ২৮। ইফতেখার সাজ্জাদ ৫/৬৩, মেহেদি হাসান রানা ২/৪৮।)
চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংস ৪৩/০ (তামিম ইকবাল ৩৫*, নাফিস ইকবাল ৭*।)
ঢাকা মেট্রো ও রংপুর
ঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংস ২১১/৭ (শামসুর রহমান ৫১, আসিফ আহমেদ ৫৬, মেহরাব হোসেন ২০। সঞ্জিত সাহা ৩/৪৩, তানভির হায়দার ৩/৭৩)।
উইকেট-বৃষ্টির দিনে তিন ফিফটি
স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০১৫
ওয়ালটন
জাতীয় ক্রিকেট লীগের চতুর্থ রাউন্ডের প্রথমদিনে চার ম্যাচেই উইকেট-বৃষ্টি
হল। শনিবার ৪১ উইকেট পড়েছে। ফিফটি হয়েছে মাত্র তিনটি। ফতুল্লায় প্রথম
স্তরের তৃতীয় রাউন্ড শেষে শীর্ষে থাকা খুলনা ঢাকার বিপক্ষে আউট হয়েছে মাত্র
১১৭ রানে। দিনশেষে তিন উইকেটে ৭৭ রান তুলেছে ঢাকা। বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে
১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। ব্যাট করতে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান
করেছে সিলেট। চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২০৮ রানে সব উইকেট হারিয়েছে
রাজশাহী। ইফতেখার সাজ্জাদ পাঁচ উইকেট নেন। জবাবে কোনো উইকেট না হারিয়ে
চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৪৩ রান। অপর তিন ম্যাচের চেয়ে একটু আলাদা চিত্র খুলনায়।
প্রথমদিনে কোনো দলের একটি ইনিংসও শেষ হয়নি এই মাঠে। রংপুরের বিপক্ষে সাত
উইকেটে ২১১ করেছে ঢাকা মেট্রো।
ফতুল্লায় খুলনার
সর্বোচ্চ রান ইমরুল কায়েসের (২৭)। নূরুল হাসান ২৬। কেউ বড় স্কোর করতে না
পারায় মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয় পয়েন্টের শীর্ষে থাকা খুলনা। চারটি উইকেট
নেন মাসুম খান। ঢাকাও ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই। ৭৭ রানে তারাও তিন
উইকেট হারিয়েছে। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে প্রথমদিনের খেলা শেষ হয়ে যায়। সাত
উইকেট হাতে নিয়ে খুলনার চেয়ে এখনও ৪০ রান পিছিয়ে ঢাকা। প্রথম স্তরের অপর
ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করেন ঢাকা মেট্রোর শামসুর রহমান (৫১) ও
আসিফ আহমেদ (৫৬)। প্রথমদিন শেষে সাত উইকেটে ২১১ রান তুলেছে ঢাকা মেট্রো।
তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন সঞ্জিত সাহা ও তানভির হায়দার।বগুড়ায়
সিলেটের বিপক্ষে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। সর্বোচ্চ ৩৬ রান
করেন অলরাউন্ডার আল-আমিন। সিলেটের নাসুম আহমেদ চারটি উইকেট নেন। সিলেট
ব্যাট করতে নেমে এক উইকেটে হারিয়ে ৪৫ রান তুলেছে। ইমতিয়াজ হোসেন ২৫ ও জাকির
হাসান ৯ রানে ব্যাট করছেন। প্রথম ইনিংসে বরিশালের চেয়ে ১১০ রানে পিছিয়ে
অলক কাপালীর দল। হাতে রয়েছে নয় উইকেট। দ্বিতীয় স্তরের অপর ম্যাচে
চট্টগ্রামেরইফতেখার সাজ্জাদের পাঁচ উইকেটে ২০৮ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন নাজমুল হাসানশান্ত। এছাড়া জুনায়েদ সিদ্দিকী করেন ৩৩, মুশফিকুররহিম আউট হন ২৪ রানে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের ৩৫* ও নাফিস ইকবালের৭* রানে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ রান করেছে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর চেয়ে তারা ১৬৫ রানে পিছিয়ে। হাতে ১০ উইকেট।সংক্ষিপ্ত স্কোরখুলনা ও ঢাকাখুলনা প্রথম ইনিংস ১১৭/১০ (ইমরুল কায়েস ২৭, নূরুল হাসান ২৬,আবু বক্কর ১৩*, আবদুর রাজ্জাক১৩। মোহাম্মদ শরিফ ২/৩৫, মাসুম খান ৪/১১)।ঢাকা প্রথম ইনিংস ৭৭/৩ (জয়রাজ শেখ ৪৯*, আবদুল মাজিদ ১০। মুস্তাফিজুর রহমান ২/৩৪)।বরিশাল ও সিলেটবরিশাল প্রথম ইনিংস ১৫৫/১০(আল-আমিন ৩৬, সোহাগ গাজী ১৬, সালেহ আহমেদ ২১, গোলাম কবির ২১*। খালেদ মাহমুদ ২/২৮, নাসুম আহমেদ ৪/৩২)।সিলেট প্রথম ইনিংস ৪৫/১ (ইমতিয়াজ হোসেন ২৫*, সায়েম আলম ১১, জাকির হাসান ৯*। )রাজশাহী ও চট্টগ্রামরাজশাহী
প্রথম ইনিংস ২০৮/১০ (নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৩, জুনায়েদ সিদ্দিকী ৩৩, শাকির
হোসেন ২৮। ইফতেখার সাজ্জাদ ৫/৬৩, মেহেদি হাসান রানা ২/৪৮।)চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংস ৪৩/০ (তামিম ইকবাল ৩৫*, নাফিস ইকবাল ৭*।)ঢাকা মেট্রো ও রংপুরঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংস ২১১/৭ (শামসুর রহমান ৫১, আসিফ আহমেদ ৫৬, মেহরাব হোসেন ২০। সঞ্জিত সাহা ৩/৪৩, তানভির হায়দার ৩/৭৩)।
- See more at: http://www.jugantor.com/sports/2015/10/18/338536#sthash.TZ4AK7YX.dpuf
উইকেট-বৃষ্টির দিনে তিন ফিফটি
স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০১৫
ওয়ালটন
জাতীয় ক্রিকেট লীগের চতুর্থ রাউন্ডের প্রথমদিনে চার ম্যাচেই উইকেট-বৃষ্টি
হল। শনিবার ৪১ উইকেট পড়েছে। ফিফটি হয়েছে মাত্র তিনটি। ফতুল্লায় প্রথম
স্তরের তৃতীয় রাউন্ড শেষে শীর্ষে থাকা খুলনা ঢাকার বিপক্ষে আউট হয়েছে মাত্র
১১৭ রানে। দিনশেষে তিন উইকেটে ৭৭ রান তুলেছে ঢাকা। বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে
১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। ব্যাট করতে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান
করেছে সিলেট। চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২০৮ রানে সব উইকেট হারিয়েছে
রাজশাহী। ইফতেখার সাজ্জাদ পাঁচ উইকেট নেন। জবাবে কোনো উইকেট না হারিয়ে
চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৪৩ রান। অপর তিন ম্যাচের চেয়ে একটু আলাদা চিত্র খুলনায়।
প্রথমদিনে কোনো দলের একটি ইনিংসও শেষ হয়নি এই মাঠে। রংপুরের বিপক্ষে সাত
উইকেটে ২১১ করেছে ঢাকা মেট্রো।
ফতুল্লায় খুলনার
সর্বোচ্চ রান ইমরুল কায়েসের (২৭)। নূরুল হাসান ২৬। কেউ বড় স্কোর করতে না
পারায় মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয় পয়েন্টের শীর্ষে থাকা খুলনা। চারটি উইকেট
নেন মাসুম খান। ঢাকাও ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই। ৭৭ রানে তারাও তিন
উইকেট হারিয়েছে। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে প্রথমদিনের খেলা শেষ হয়ে যায়। সাত
উইকেট হাতে নিয়ে খুলনার চেয়ে এখনও ৪০ রান পিছিয়ে ঢাকা। প্রথম স্তরের অপর
ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করেন ঢাকা মেট্রোর শামসুর রহমান (৫১) ও
আসিফ আহমেদ (৫৬)। প্রথমদিন শেষে সাত উইকেটে ২১১ রান তুলেছে ঢাকা মেট্রো।
তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন সঞ্জিত সাহা ও তানভির হায়দার।বগুড়ায়
সিলেটের বিপক্ষে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। সর্বোচ্চ ৩৬ রান
করেন অলরাউন্ডার আল-আমিন। সিলেটের নাসুম আহমেদ চারটি উইকেট নেন। সিলেট
ব্যাট করতে নেমে এক উইকেটে হারিয়ে ৪৫ রান তুলেছে। ইমতিয়াজ হোসেন ২৫ ও জাকির
হাসান ৯ রানে ব্যাট করছেন। প্রথম ইনিংসে বরিশালের চেয়ে ১১০ রানে পিছিয়ে
অলক কাপালীর দল। হাতে রয়েছে নয় উইকেট। দ্বিতীয় স্তরের অপর ম্যাচে
চট্টগ্রামেরইফতেখার সাজ্জাদের পাঁচ উইকেটে ২০৮ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন নাজমুল হাসানশান্ত। এছাড়া জুনায়েদ সিদ্দিকী করেন ৩৩, মুশফিকুররহিম আউট হন ২৪ রানে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের ৩৫* ও নাফিস ইকবালের৭* রানে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ রান করেছে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর চেয়ে তারা ১৬৫ রানে পিছিয়ে। হাতে ১০ উইকেট।সংক্ষিপ্ত স্কোরখুলনা ও ঢাকাখুলনা প্রথম ইনিংস ১১৭/১০ (ইমরুল কায়েস ২৭, নূরুল হাসান ২৬,আবু বক্কর ১৩*, আবদুর রাজ্জাক১৩। মোহাম্মদ শরিফ ২/৩৫, মাসুম খান ৪/১১)।ঢাকা প্রথম ইনিংস ৭৭/৩ (জয়রাজ শেখ ৪৯*, আবদুল মাজিদ ১০। মুস্তাফিজুর রহমান ২/৩৪)।বরিশাল ও সিলেটবরিশাল প্রথম ইনিংস ১৫৫/১০(আল-আমিন ৩৬, সোহাগ গাজী ১৬, সালেহ আহমেদ ২১, গোলাম কবির ২১*। খালেদ মাহমুদ ২/২৮, নাসুম আহমেদ ৪/৩২)।সিলেট প্রথম ইনিংস ৪৫/১ (ইমতিয়াজ হোসেন ২৫*, সায়েম আলম ১১, জাকির হাসান ৯*। )রাজশাহী ও চট্টগ্রামরাজশাহী
প্রথম ইনিংস ২০৮/১০ (নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৩, জুনায়েদ সিদ্দিকী ৩৩, শাকির
হোসেন ২৮। ইফতেখার সাজ্জাদ ৫/৬৩, মেহেদি হাসান রানা ২/৪৮।)চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংস ৪৩/০ (তামিম ইকবাল ৩৫*, নাফিস ইকবাল ৭*।)ঢাকা মেট্রো ও রংপুরঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংস ২১১/৭ (শামসুর রহমান ৫১, আসিফ আহমেদ ৫৬, মেহরাব হোসেন ২০। সঞ্জিত সাহা ৩/৪৩, তানভির হায়দার ৩/৭৩)।
- See more at: http://www.jugantor.com/sports/2015/10/18/338536#sthash.TZ4AK7YX.dpuf
0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন