কি হতে চলেছে ১৩ নভেম্বর! শুধু মহাকাশ গবেষক ও বৈজ্ঞানিকদের কাছেই নয় এখন বিশ্বের সকল মানুষের সবথেকে বড় প্রশ্ন এটাই। আসন্ন ১৩ নভেম্বরই কি আমাদের পৃথিবীর অন্তিমক্ষণ হতে চলেছে?
এটা এখন আর কোনো ভাঁওতাবাজি নয়। বৈজ্ঞানিকরা দেখেছেন একটি আন আইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট দ্রুত গতিতে ভূ-পৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসছে। যা আগামী ১৩ নভেম্বর ভারত মহাসাগরের উপর ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে আছড়ে পড়বে। শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল আনুমানিক ১১ মিলিয়ন বছর আগে।
২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বপ্রথম এই ইউএফও-টির অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিকরা তখন এটাকে তেমন গুরুত্বের সাথে নেয়নি। কিন্তু চলতি বছরের অক্টোবরের মাসে উপগ্রহের মাধ্যমে তোলা ছবিতে দেখা মেলে ইউএফও-টির। বোঝা যায়, সেটি ধেয়ে আসছে সোজা পৃথবীর দিকে। তাও সজোরে। আর তখনই টনক নড়ে বৈজ্ঞানিকদের।
এখন ঘটনা হল- শ্রীলঙ্কার ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়তে চলেছে ওইএফও-টি। প্রায় সাত ফুট লম্বা ইউএফও-টি কোনও ব্যর্থ মহাকাশ অভিযানের সময় ভাঙা রকেটের টুকরোও হতে পারে বলে অনুমান।
ইউএফও-টি ভূপৃষ্ঠে আছড়ে পড়লে তা হবে এক দুর্লভ দৃশ্য। যদিও সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করার পরের অবস্থা কী হবে, সে সম্পর্কে বৈজ্ঞানিকরা এখনও ধোঁয়াশায়।
অক্টোবর মাসে ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে সংস্থা প্রথম এটিকে ভূ-পৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসতে দেখেন। ইউএফও-টির নাম দেয়া হয়েছে WT1190F। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এখন WT1190F-এর দিকে প্রতি সেকেন্ড নজর রেখে চলেছেন। এটি আছড়ে পড়লে সকলের উপরেই প্রভাব পড়তে পারে বলে আগাম সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে বৈজ্ঞানিকরা বলেছেন, পৃথিবী যে ‘সেফ জোন’-এ রয়েছে বলে এতদিন যে আঁচ করা হচ্ছিলো, তা ভুল। সম্প্রতি দেখা গেছে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এ যাবৎ কালের সবথেকে বড় ধূমকেতুটি।
জিওলজিস্ট প্রফেসর মাইকেল রামপিনো বলেন, আমরা যে নিরাপদে রয়েছি, এ হিসেব ভুল হতে পারে। সেই সেফ জোন থেকে পৃথিবী গত এক মিলিয়ন বছর আগেই বেরিয়ে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রমাণ মিলেছে গত এক মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর দিকে একগুচ্ছ ধূমকেতু ধেয়ে আসছে শুরু করেছে। বহু আলোকবর্ষ দূর থেকে খণ্ডগুলি আসছিল বলে সময় লাগছিল। এখন পৃথিবীর কাছাকাছি চলে এসেছে বলেই আমরা মনে করছি। যে কোনও সময় ধূমকেতুগুলি বৃষ্টির মত ঝরে পড়তে পারে।
এটা এখন আর কোনো ভাঁওতাবাজি নয়। বৈজ্ঞানিকরা দেখেছেন একটি আন আইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট দ্রুত গতিতে ভূ-পৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসছে। যা আগামী ১৩ নভেম্বর ভারত মহাসাগরের উপর ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে আছড়ে পড়বে। শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল আনুমানিক ১১ মিলিয়ন বছর আগে।
২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বপ্রথম এই ইউএফও-টির অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিকরা তখন এটাকে তেমন গুরুত্বের সাথে নেয়নি। কিন্তু চলতি বছরের অক্টোবরের মাসে উপগ্রহের মাধ্যমে তোলা ছবিতে দেখা মেলে ইউএফও-টির। বোঝা যায়, সেটি ধেয়ে আসছে সোজা পৃথবীর দিকে। তাও সজোরে। আর তখনই টনক নড়ে বৈজ্ঞানিকদের।
এখন ঘটনা হল- শ্রীলঙ্কার ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়তে চলেছে ওইএফও-টি। প্রায় সাত ফুট লম্বা ইউএফও-টি কোনও ব্যর্থ মহাকাশ অভিযানের সময় ভাঙা রকেটের টুকরোও হতে পারে বলে অনুমান।
ইউএফও-টি ভূপৃষ্ঠে আছড়ে পড়লে তা হবে এক দুর্লভ দৃশ্য। যদিও সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করার পরের অবস্থা কী হবে, সে সম্পর্কে বৈজ্ঞানিকরা এখনও ধোঁয়াশায়।
অক্টোবর মাসে ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে সংস্থা প্রথম এটিকে ভূ-পৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসতে দেখেন। ইউএফও-টির নাম দেয়া হয়েছে WT1190F। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এখন WT1190F-এর দিকে প্রতি সেকেন্ড নজর রেখে চলেছেন। এটি আছড়ে পড়লে সকলের উপরেই প্রভাব পড়তে পারে বলে আগাম সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে বৈজ্ঞানিকরা বলেছেন, পৃথিবী যে ‘সেফ জোন’-এ রয়েছে বলে এতদিন যে আঁচ করা হচ্ছিলো, তা ভুল। সম্প্রতি দেখা গেছে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এ যাবৎ কালের সবথেকে বড় ধূমকেতুটি।
জিওলজিস্ট প্রফেসর মাইকেল রামপিনো বলেন, আমরা যে নিরাপদে রয়েছি, এ হিসেব ভুল হতে পারে। সেই সেফ জোন থেকে পৃথিবী গত এক মিলিয়ন বছর আগেই বেরিয়ে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রমাণ মিলেছে গত এক মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর দিকে একগুচ্ছ ধূমকেতু ধেয়ে আসছে শুরু করেছে। বহু আলোকবর্ষ দূর থেকে খণ্ডগুলি আসছিল বলে সময় লাগছিল। এখন পৃথিবীর কাছাকাছি চলে এসেছে বলেই আমরা মনে করছি। যে কোনও সময় ধূমকেতুগুলি বৃষ্টির মত ঝরে পড়তে পারে।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন