পাকিস্তানের তরফে বারবার দাবি করা হয়, তারা নাকি সন্ত্রাস দমন করতে সর্বদা প্রস্তুত। কিন্তু সেই ধারনা পালটে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন খোদ প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফ।পাকিস্তানের ‘দুনিয়া টিভি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পাকিস্তানই নাকি প্রশিক্ষণ দিয়েছিল লস্কর ই তইবার মত জঙ্গি সংগঠনগুলিকে।
প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেন, সোভিয়েত শক্তিকে পরাস্ত করতে ‘ধর্মীয় সন্ত্রাস’ শুরু করে পাকিস্তানই। তারাই একমাত্র দেশ যারা পুরো বিশ্ব থেকে জঙ্গিদের এনে একত্রিত করেছিল সোভিয়েত শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য।
লাদেন-হাক্কানিদের ‘হিরো’ বলে সম্বোধন করে তিনি জানান, সোভিয়েত আক্রমণের পর পাকিস্তানই স্বাগত জানায় জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে।
মুশারফ আরও বলেন, সোভিয়েতদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতেই শুরু হয় এই ধর্মীয় সন্ত্রাস। তালিবানদের তাঁরাই ট্রেনিং দেন। জঙ্গিদের হাতে তুলে দেন অত্যাধুনিক অস্ত্র। তাদের যুদ্ধে পাঠিয়ে দেন। তাই তারাই পাকিস্তানের হিরো। পারভেজ মুশারফ আরও বলেন, কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালানোর জন্যই পাকিস্তানই শিক্ষা দেয় লস্কর ই তইবা-কে।
তিনি বলেন, আমরা লস্করদের হিরোর মত করে বরণ করেছি। আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছি, সমর্থন করেছি। ওরা কাশ্মীরে ভীষণ ভাল লড়াই করেছে। কিন্তু এখন সময় পরিবর্তন হয়েছে। ওরা তখন ‘হিরো’ ছিল। এখন ভিলেন হয়েছে। ধর্মীয় সন্ত্রাস এখন সার্বিক সন্ত্রাসে পরিণত হয়েছে। এখন আমরাও সন্ত্রাসের কবলে।
হাফিজ সঈদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি: মুম্বই বিস্ফোরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হাফিজ সঈদের উপর আতর্কিত হামলা হতে পারে। এক বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা তাকে হত্যা করার ছক কষছে। এমনই সতর্কবার্তা পেয়ে হাফিজ সঈদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে পাকিস্তান।
হাফিজ যে প্রদেশে থাকে, পাকিস্তানের সেই পঞ্জাব প্রদেশের পক্ষ থেকেই হাফিজের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার পঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশেই হাফিজের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জওহর টাউনের যে বাড়িতে হাফিজ থাকে, সেই বাড়ি এবং লাহোরের চাউবুরজিতে তার দলীয় কার্যালয়ে নিরাপত্তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আবার যারা হাফিজের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে তাদের বিষয়ে পুলিশ যথেষ্ট সংবেদনশীল বলে জানান এসপি আথার ইসমাইল।
দিন কয়েক আগে পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের উপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র দফতর। শরিফের উপর নাকি ভারত হামলা চালাবে। এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছিল পাক গোয়েন্দা সংস্থা। সেইমতো শরিফের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়।
যদিও তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বরং সীমান্তে পাক সেনাদের গুলিবর্ষণ বেড়ে গিয়েছে। এবার হাফিজের ক্ষেত্রেও কিছুটা সেরকমই সতর্কবার্তা দিয়েছে পাক গোয়েন্দারা। যদিও এবারের সতর্কবার্তায় ভারতের নাম উল্লেখ নেই। হামলাকারী হিসেবে এক ‘বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা’র কথা বলা হয়েছে এবং এই ‘বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা’ নওয়াজ শরিফ এবং জেডিইউ প্রধান হাফিজ সঈদকে টারগেট করেছে বলে পঞ্জাবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়েছে পাক গোয়েন্দারা।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত হাফিজ সঈদ। ওই বিস্ফোরণে ১৬৬ জনের মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে সঈদকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ তকমাও দিয়েছে ভারত। যদিও সঈদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানে কোনও মামলা নেই এবং সে পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে ওই দেশের যে কোনও জায়গায় অবাধে ঘুরতে পারে বলে পাক সরকার জানিয়েছে।
প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেন, সোভিয়েত শক্তিকে পরাস্ত করতে ‘ধর্মীয় সন্ত্রাস’ শুরু করে পাকিস্তানই। তারাই একমাত্র দেশ যারা পুরো বিশ্ব থেকে জঙ্গিদের এনে একত্রিত করেছিল সোভিয়েত শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য।
লাদেন-হাক্কানিদের ‘হিরো’ বলে সম্বোধন করে তিনি জানান, সোভিয়েত আক্রমণের পর পাকিস্তানই স্বাগত জানায় জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে।
মুশারফ আরও বলেন, সোভিয়েতদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতেই শুরু হয় এই ধর্মীয় সন্ত্রাস। তালিবানদের তাঁরাই ট্রেনিং দেন। জঙ্গিদের হাতে তুলে দেন অত্যাধুনিক অস্ত্র। তাদের যুদ্ধে পাঠিয়ে দেন। তাই তারাই পাকিস্তানের হিরো। পারভেজ মুশারফ আরও বলেন, কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালানোর জন্যই পাকিস্তানই শিক্ষা দেয় লস্কর ই তইবা-কে।
তিনি বলেন, আমরা লস্করদের হিরোর মত করে বরণ করেছি। আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছি, সমর্থন করেছি। ওরা কাশ্মীরে ভীষণ ভাল লড়াই করেছে। কিন্তু এখন সময় পরিবর্তন হয়েছে। ওরা তখন ‘হিরো’ ছিল। এখন ভিলেন হয়েছে। ধর্মীয় সন্ত্রাস এখন সার্বিক সন্ত্রাসে পরিণত হয়েছে। এখন আমরাও সন্ত্রাসের কবলে।
হাফিজ সঈদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি: মুম্বই বিস্ফোরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হাফিজ সঈদের উপর আতর্কিত হামলা হতে পারে। এক বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা তাকে হত্যা করার ছক কষছে। এমনই সতর্কবার্তা পেয়ে হাফিজ সঈদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে পাকিস্তান।
হাফিজ যে প্রদেশে থাকে, পাকিস্তানের সেই পঞ্জাব প্রদেশের পক্ষ থেকেই হাফিজের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার পঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশেই হাফিজের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জওহর টাউনের যে বাড়িতে হাফিজ থাকে, সেই বাড়ি এবং লাহোরের চাউবুরজিতে তার দলীয় কার্যালয়ে নিরাপত্তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আবার যারা হাফিজের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে তাদের বিষয়ে পুলিশ যথেষ্ট সংবেদনশীল বলে জানান এসপি আথার ইসমাইল।
দিন কয়েক আগে পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের উপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র দফতর। শরিফের উপর নাকি ভারত হামলা চালাবে। এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছিল পাক গোয়েন্দা সংস্থা। সেইমতো শরিফের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়।
যদিও তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বরং সীমান্তে পাক সেনাদের গুলিবর্ষণ বেড়ে গিয়েছে। এবার হাফিজের ক্ষেত্রেও কিছুটা সেরকমই সতর্কবার্তা দিয়েছে পাক গোয়েন্দারা। যদিও এবারের সতর্কবার্তায় ভারতের নাম উল্লেখ নেই। হামলাকারী হিসেবে এক ‘বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা’র কথা বলা হয়েছে এবং এই ‘বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা’ নওয়াজ শরিফ এবং জেডিইউ প্রধান হাফিজ সঈদকে টারগেট করেছে বলে পঞ্জাবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়েছে পাক গোয়েন্দারা।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত হাফিজ সঈদ। ওই বিস্ফোরণে ১৬৬ জনের মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে সঈদকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ তকমাও দিয়েছে ভারত। যদিও সঈদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানে কোনও মামলা নেই এবং সে পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে ওই দেশের যে কোনও জায়গায় অবাধে ঘুরতে পারে বলে পাক সরকার জানিয়েছে।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন