চারিদিকে আর্তনাদ আর কান্নার আওয়াজ। ভয়ে বিহ্বল বাটাক্লান থিয়েটারের সব মানুষ। মুহুর্মুহু গুলির আওয়াজে ওষ্ঠাগত প্রাণ। হতবিহ্বল হয়ে প্রাণ রক্ষায় মেঝেতে শুয়ে পড়ছে সবাই।
মুহূর্তের মধ্যে রঙ্গমঞ্চ হয়ে গেল কসাইখানা। মাত্র ১০ মিনিটেই থিয়েটারটি পরিণত হল মৃত্যুকূপে। শরীর থেকে মাথা আলাদা হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে মেঝেতে। চারিদিকে রক্তের স্রোত বয়ে গেল।
এমনটা বর্ণনা দিচ্ছেলেন বাটাক্লান থিয়েটারের হত্যাযজ্ঞের প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জুলিয়ান পিরার্স।
ফ্রান্সের ইউরোপ ওয়ান রেডিও স্টেশনের এ সাংবাদিক সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যারিস হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দিচ্ছিলেন।
প্রথমে ভেবেছি কেউ বাজি ফুটাচ্ছে:
পিয়েরো মন্টফোর্ট। কম্বোডিয়ান রেস্তোরাঁর কাছে বসবাসকারী বাসিন্দা। তিনি বলেন, ৩০ সেকেন্ড ধরে আমি অনবরত গুলির শব্দ শুনলাম। প্রথমে ভেবেছি কেউ বাজি ফুটাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে আমার জানালা দিয়ে দেখলাম সবাই দৌড়ে পালাচ্ছে।
কম্বোডিয়ান রেস্তোরাঁয় হামলার কিছুক্ষণ পরে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন ফ্লোরেন্স। তিনি বলেন, চারিদিকে নিস্তব্ধ। স্টেনগানের ধোয়া বারুদ দেখতে পেলাম। মেঝেতে কয়েকটি রক্তাক্ত মৃত্যুদেহ পড়ে রয়েছে।
অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আশপাশের মানুষ বুঝে ওঠার আগেই সব কিছু শেষ। রক্তে লাল হয়ে আছে রেস্তোরাঁর মেঝে।
বাটাক্লান থিয়েটারে হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আমি অনেকগুলো গুলির আওয়াজ শুনেছি। সন্ত্রাসীরা খুবই শান্ত ও সংকল্পবদ্ধভাবে গুলি চালাচ্ছিল। নিজেকে একটি পিলারে আড়াল করলাম। সেখানেও তারা গুলি চালাল। দেখলাম ৪ থেকে ৫ বার গুলি ভরেছে অস্ত্রে।
রঙ্গমঞ্চ হয়ে গেল কসাইখানা
প্যারিসের ছয়টি স্থানে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে সন্ত্রাসীরা। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ হয় প্যারিসের বাটাক্লান থিয়েটারে। শুক্রবারে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রক ব্যান্ডদল এ থিয়েটারে সঙ্গীত পরিবেশন করছিল। তাদের পরিবেশনা যখন শেষ পর্যায়ে তখনই শুরু হয় সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবলীলা।
আকস্মিক এ হামলায় নিজেকে বাঁচানোর জন্য মেঝেতে মাথা ঢেকে শুয়ে পড়ে। সন্ত্রাসীরা জিম্মি করে রাখে সবাইকে। তবুও অনেকে ভয়ে আতংকে পালানোর চেষ্টা করেছে। কেউ কেউ লাফ দিয়েছে জানালা থেকে।
প্যারিসবাসীর কাছে এ রাত ছিল অন্যান্য রাতের চেয়ে ভয়াবহ। মাত্র ১০ মিনিটের গোলাগুলি আর অস্ত্রের মহড়ায় প্যারিসের রঙ্গমঞ্চ কসাইখানায় পরিণত হয়।
রক্তস্নাত এ হামলা থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন ঠিকই কিন্তু আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন বেনজামিন কাজেনভস। সামাজিক গণমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে বেনজামিন লেখেন, জীবিত! অবিশ্বাস্য। অবলীল হত্যাকাণ্ড। ধরে ধরে জবাই করছিল ওরা- শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ছুঁড়ে ফেলছিল।
আল্লাহু আকবার বলে গুলি করল হামলাকারীরা:
প্যারিসের কম্বোডিয়ান রেস্তোরাঁয় রাত ৯টার দিকে আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিয়ে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। রেস্তোরাঁয় অবস্থানরত ক্রেতাদের টেবিল লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে তারা। ভয়ে আতংকে টেবিলের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেছে ক্রেতারা।
কেউ কেউ রক্ষা পেলেও তাৎক্ষণিক মারা যায় ১৪ জন। কারও মুখের ভেতর খাবার, আবার কারও হাতে খাবার, মুখে দেয়া হয়নি এখনও এভাবেই মেঝেতে নিথর দেহ পড়ে রয়েছে।
মুহূর্তের মধ্যে রঙ্গমঞ্চ হয়ে গেল কসাইখানা। মাত্র ১০ মিনিটেই থিয়েটারটি পরিণত হল মৃত্যুকূপে। শরীর থেকে মাথা আলাদা হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে মেঝেতে। চারিদিকে রক্তের স্রোত বয়ে গেল।
এমনটা বর্ণনা দিচ্ছেলেন বাটাক্লান থিয়েটারের হত্যাযজ্ঞের প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জুলিয়ান পিরার্স।
ফ্রান্সের ইউরোপ ওয়ান রেডিও স্টেশনের এ সাংবাদিক সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যারিস হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দিচ্ছিলেন।
প্রথমে ভেবেছি কেউ বাজি ফুটাচ্ছে:
পিয়েরো মন্টফোর্ট। কম্বোডিয়ান রেস্তোরাঁর কাছে বসবাসকারী বাসিন্দা। তিনি বলেন, ৩০ সেকেন্ড ধরে আমি অনবরত গুলির শব্দ শুনলাম। প্রথমে ভেবেছি কেউ বাজি ফুটাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে আমার জানালা দিয়ে দেখলাম সবাই দৌড়ে পালাচ্ছে।
কম্বোডিয়ান রেস্তোরাঁয় হামলার কিছুক্ষণ পরে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন ফ্লোরেন্স। তিনি বলেন, চারিদিকে নিস্তব্ধ। স্টেনগানের ধোয়া বারুদ দেখতে পেলাম। মেঝেতে কয়েকটি রক্তাক্ত মৃত্যুদেহ পড়ে রয়েছে।
অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আশপাশের মানুষ বুঝে ওঠার আগেই সব কিছু শেষ। রক্তে লাল হয়ে আছে রেস্তোরাঁর মেঝে।
বাটাক্লান থিয়েটারে হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আমি অনেকগুলো গুলির আওয়াজ শুনেছি। সন্ত্রাসীরা খুবই শান্ত ও সংকল্পবদ্ধভাবে গুলি চালাচ্ছিল। নিজেকে একটি পিলারে আড়াল করলাম। সেখানেও তারা গুলি চালাল। দেখলাম ৪ থেকে ৫ বার গুলি ভরেছে অস্ত্রে।
রঙ্গমঞ্চ হয়ে গেল কসাইখানা
প্যারিসের ছয়টি স্থানে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে সন্ত্রাসীরা। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ হয় প্যারিসের বাটাক্লান থিয়েটারে। শুক্রবারে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রক ব্যান্ডদল এ থিয়েটারে সঙ্গীত পরিবেশন করছিল। তাদের পরিবেশনা যখন শেষ পর্যায়ে তখনই শুরু হয় সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবলীলা।
আকস্মিক এ হামলায় নিজেকে বাঁচানোর জন্য মেঝেতে মাথা ঢেকে শুয়ে পড়ে। সন্ত্রাসীরা জিম্মি করে রাখে সবাইকে। তবুও অনেকে ভয়ে আতংকে পালানোর চেষ্টা করেছে। কেউ কেউ লাফ দিয়েছে জানালা থেকে।
প্যারিসবাসীর কাছে এ রাত ছিল অন্যান্য রাতের চেয়ে ভয়াবহ। মাত্র ১০ মিনিটের গোলাগুলি আর অস্ত্রের মহড়ায় প্যারিসের রঙ্গমঞ্চ কসাইখানায় পরিণত হয়।
রক্তস্নাত এ হামলা থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন ঠিকই কিন্তু আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন বেনজামিন কাজেনভস। সামাজিক গণমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে বেনজামিন লেখেন, জীবিত! অবিশ্বাস্য। অবলীল হত্যাকাণ্ড। ধরে ধরে জবাই করছিল ওরা- শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ছুঁড়ে ফেলছিল।
আল্লাহু আকবার বলে গুলি করল হামলাকারীরা:
প্যারিসের কম্বোডিয়ান রেস্তোরাঁয় রাত ৯টার দিকে আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিয়ে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। রেস্তোরাঁয় অবস্থানরত ক্রেতাদের টেবিল লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে তারা। ভয়ে আতংকে টেবিলের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেছে ক্রেতারা।
কেউ কেউ রক্ষা পেলেও তাৎক্ষণিক মারা যায় ১৪ জন। কারও মুখের ভেতর খাবার, আবার কারও হাতে খাবার, মুখে দেয়া হয়নি এখনও এভাবেই মেঝেতে নিথর দেহ পড়ে রয়েছে।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন