‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’র রাতে ফ্রান্সের প্যারিসে একই সঙ্গে ছ’টি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটে৷ হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস৷ সিরিয়াতে দখলদারি করার জন্যই নাকি ফ্র্যান্সের এই জনপ্রিয় শহরে হত্যালীলা চালান হয়েছে৷ এসবই আধিকারিক কথাবার্তা৷
কিন্তু বিস্ফোরণের সময় সে সমস্ত সাধারণ মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাদের মনের অবস্থা কেউ হয়ত ভেবে দেখেননি৷ কী ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে তাদের নিজেকে, নিজের মানুষদের বাঁচিয়ে রাখতে হয়েছে৷
তেমনই একজন সুমিত্রা রায়৷ বারাসতের বাসিন্দা সুমিত্রা একজন পর্যটক হয়েই গিয়েছেন প্যারিসে৷ কিন্তু তিনি হয়ত কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি, তাকে কোনো দিন এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে হবে৷
kolkata24x7- কে তিনি ইমেল করে জানিয়েছেন সেই বীভৎসতার কথা৷ সেই কালো শুক্রবারে তাঁ আতঙ্কের অভিজ্ঞতার কথা৷
কারণ, ঘটনাচক্রে সন্ত্রাসবাদীদের হামলার সময় তিনি ছিলেন অকুস্থলের খুব কাছাকাছি৷ এখনও চোখ বন্ধ করলে ভেসে ওঠে দুঃস্বপ্নের রক্তাক্ত ছবি৷ সুমিত্রাদেবীর কথা হুবহু তুলে ধরা হল:
শুক্রবারে ঘটনার পর শনিবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ প্রায় সমস্ত রেস্টুরেন্ট, বার বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ যেগুলি খোলা রয়েছে তাতেও তেমন ভিড় নেই৷ শুক্রবার রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ফ্রান্স স্টেডিয়ামের বাইরে রেস্টুরেন্ট ও বারে সুইসাইড অ্যাটাক হয়৷
অন্যদিকে, সেসময় কনসার্ট হলে আমেরিকান রক মিউজিকের উপর কনসর্ট চলছিল৷ সেখানেও হামলা হয়৷ সবথেকে বেশি মানুষ মারা যান সেখানেই৷
আমরা সেসময়ই আইফেল টাওয়ার দেখে রাস্তা দিয়ে হেঁটে ফিরছিলাম৷ আমাদের হোটেল আইফেল টায়ার থেকে মাত্র ৩-৪ কিলোমিটার দূরে৷ হঠাৎ দেখি রাস্তায় প্রচুর মানুষ ও পুলিশ দৌড়ে বেড়াচ্ছে৷
পুলিশ সমস্ত মানুষদের একসঙ্গে করার চেষ্টা করেছে৷ রাস্তার বিভিন্ন গাড়ি, ট্যাক্সি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে৷ যাত্রীদেরও তল্লাশি করছে পুলিশ৷ ফরাসী ভাষায় সবাই কি যে বলে যাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না৷
পুলিশ শুধু ‘গো গো’ বলে মানুষদের দূরে সড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে৷ সবাই কোথায় দৌড় পালাচ্ছে আর কেনই বা পালাচ্ছে কিচ্ছু বুঝতে পারছি না৷ তারপর শুনলাম কেউ কেউ বলছেন সুইসাইড অ্যাটাক হয়েছে৷
বেশ কিছু জায়গায় এমার্জেন্সী ঘোষণা করা হয়েছে, রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ আমরা তিনজন মেয়ে ওই ঠান্ডাতেও তখন দরদর করে ঘামছি৷ হোটেলে ফিরব বলে রাস্তার ধারে দাঁড়ালেও বাস, ট্যাক্সি কিছুই পাওয়া গেল না৷ এমনকিও মেট্রোও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ রাস্তার নাম দেখে দেখে, অনেক খুঁজে যখন শেষমেশ হোটেলে পৌঁছালাম তখন প্যারিসের সময় অনুযায়ী রাত দেড়টা বাজে৷
শুক্রবার রাতের পর প্যারিসে শনিবারের রাত একেবারেই শুনশান৷ সন্ধ্যের দিকে রাস্তার কিছু লোক দেখা গেলেও রাত যত বেড়েছে রাস্তাঘাট একেবারে নির্জন হয়ে গিয়েছে৷ কেবল দু-একটা গাড়ি চলছে৷
কলকাতা24x7
কিন্তু বিস্ফোরণের সময় সে সমস্ত সাধারণ মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাদের মনের অবস্থা কেউ হয়ত ভেবে দেখেননি৷ কী ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে তাদের নিজেকে, নিজের মানুষদের বাঁচিয়ে রাখতে হয়েছে৷
তেমনই একজন সুমিত্রা রায়৷ বারাসতের বাসিন্দা সুমিত্রা একজন পর্যটক হয়েই গিয়েছেন প্যারিসে৷ কিন্তু তিনি হয়ত কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি, তাকে কোনো দিন এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে হবে৷
kolkata24x7- কে তিনি ইমেল করে জানিয়েছেন সেই বীভৎসতার কথা৷ সেই কালো শুক্রবারে তাঁ আতঙ্কের অভিজ্ঞতার কথা৷
কারণ, ঘটনাচক্রে সন্ত্রাসবাদীদের হামলার সময় তিনি ছিলেন অকুস্থলের খুব কাছাকাছি৷ এখনও চোখ বন্ধ করলে ভেসে ওঠে দুঃস্বপ্নের রক্তাক্ত ছবি৷ সুমিত্রাদেবীর কথা হুবহু তুলে ধরা হল:
শুক্রবারে ঘটনার পর শনিবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ প্রায় সমস্ত রেস্টুরেন্ট, বার বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ যেগুলি খোলা রয়েছে তাতেও তেমন ভিড় নেই৷ শুক্রবার রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ফ্রান্স স্টেডিয়ামের বাইরে রেস্টুরেন্ট ও বারে সুইসাইড অ্যাটাক হয়৷
অন্যদিকে, সেসময় কনসার্ট হলে আমেরিকান রক মিউজিকের উপর কনসর্ট চলছিল৷ সেখানেও হামলা হয়৷ সবথেকে বেশি মানুষ মারা যান সেখানেই৷
আমরা সেসময়ই আইফেল টাওয়ার দেখে রাস্তা দিয়ে হেঁটে ফিরছিলাম৷ আমাদের হোটেল আইফেল টায়ার থেকে মাত্র ৩-৪ কিলোমিটার দূরে৷ হঠাৎ দেখি রাস্তায় প্রচুর মানুষ ও পুলিশ দৌড়ে বেড়াচ্ছে৷
পুলিশ সমস্ত মানুষদের একসঙ্গে করার চেষ্টা করেছে৷ রাস্তার বিভিন্ন গাড়ি, ট্যাক্সি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে৷ যাত্রীদেরও তল্লাশি করছে পুলিশ৷ ফরাসী ভাষায় সবাই কি যে বলে যাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না৷
পুলিশ শুধু ‘গো গো’ বলে মানুষদের দূরে সড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে৷ সবাই কোথায় দৌড় পালাচ্ছে আর কেনই বা পালাচ্ছে কিচ্ছু বুঝতে পারছি না৷ তারপর শুনলাম কেউ কেউ বলছেন সুইসাইড অ্যাটাক হয়েছে৷
বেশ কিছু জায়গায় এমার্জেন্সী ঘোষণা করা হয়েছে, রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ আমরা তিনজন মেয়ে ওই ঠান্ডাতেও তখন দরদর করে ঘামছি৷ হোটেলে ফিরব বলে রাস্তার ধারে দাঁড়ালেও বাস, ট্যাক্সি কিছুই পাওয়া গেল না৷ এমনকিও মেট্রোও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ রাস্তার নাম দেখে দেখে, অনেক খুঁজে যখন শেষমেশ হোটেলে পৌঁছালাম তখন প্যারিসের সময় অনুযায়ী রাত দেড়টা বাজে৷
শুক্রবার রাতের পর প্যারিসে শনিবারের রাত একেবারেই শুনশান৷ সন্ধ্যের দিকে রাস্তার কিছু লোক দেখা গেলেও রাত যত বেড়েছে রাস্তাঘাট একেবারে নির্জন হয়ে গিয়েছে৷ কেবল দু-একটা গাড়ি চলছে৷
কলকাতা24x7

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন