পুরুষ বলুন আর জামাই, হলে এমনই হতে হয়। ৩৪টি দেশে বিয়ে করেছেন ৯৪টি। এখনও শখ মেটেনি। আর এই বিয়ের শখ থেকেই মার্কিন নাগরিক জন অ্যাড্রেস বর্তমানে ৩৪টি দেশের জামাই!
ফ্রান্স থেকে ফিনল্যান্ড, জাপান থেকে জার্মানি, আমেরিকা থেকে আর্জেন্টিনা। অ্যামি, অ্যানি, মারিয়া, মেরি, কেট, কুইন্স কত নামের স্ত্রী যে আছে, জানা নেই জনের। মনেও নেই সবার নাম।
২৩ বছর বয়স থেকে বিয়ের ইনিংস শুরু করেছে জন। ৩৫ বছরে এসে করেছেন অপরাজিত ৯৪! ছয় মাস আগে জাপানে নিজের সর্বশেষ বিয়েটি সেরেছেন তিনি।
জন অ্যাড্রেসের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদক প্রশ্ন করেন, সংখ্যায় বিয়ের সেঞ্চুরি করবেন কবে? জন কিন্তু লাজুক হেসে ব্যাপারটা এড়িয়ে গিয়েছেন।
তবে মুখের লাজুক হাসি ধরে রেখেই জন জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মহিলাদের বিয়ে করাটা তাঁর শখ। তবে এই বিয়ে করার জন্য কারও কাছে মিথ্যা বলেন না জন। কোথাও কোনও লুকাছাপার গল্প নেই। ৯৪ জন স্ত্রীই জানেন তাদের আরও ৯৩ জন সতীন রয়েছেন।
কিন্তু এত মেয়েকে পটানোর কঠিন কাজটি কীভাবে করেন- জানতে চাইলে জন বলেন, আমি দেখতে খুব একটা খারাপ নই। আর ‘প্রেমটাও’ ভালো পারি। আর এভাবেই দেশে দেশে জুটিয়ে ফেলি বান্ধবী, পরে প্রেম। আর তারপর বিয়ে!
জনের দাবি, তিনি কখনও কাউকে ঠকাননি। অন্তত প্রেমের বিষয়ে তো নয়ই। বিয়ের আগে নিজের আগের সব প্রেম-পরিণয়ের কথা জানিয়ে দেন।
কিন্তু প্রশ্ন হল সবচেয়ে বেশি সময় জন কোন স্ত্রীর সঙ্গে কাটান? জন নিজেই বলেছেন, জার্মান স্ত্রী আনার সঙ্গে। আনা ছবি আঁকেন।
তবে অল্প একটু দুঃখও আছে জনের। এতজন ভালোবাসার মানুষের মধ্যে বছরে বড়জোড় পাঁচ থেকে ছয়জন স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয় তার। অনেকেই আবার তাকে ডিভোর্স দিয়ে নতুন করে সংসার পেতেছেন।
কেউ হয়তো তার কথা বেমালুম চেপে গিয়েছেন নতুন স্বামী পেয়ে। তবু দুঃখ নেই জনের মনে।
সেই নির্দিষ্ট সময়ে তার জন্য ‘স্ত্রীর’ ভালোবাসা তো সত্যি ছিল। এটুকু ভেবেই আত্মতৃপ্তির জাবর কাটেন ৯৪ স্ত্রীর স্বামী জন অ্যাড্রেস।
ফ্রান্স থেকে ফিনল্যান্ড, জাপান থেকে জার্মানি, আমেরিকা থেকে আর্জেন্টিনা। অ্যামি, অ্যানি, মারিয়া, মেরি, কেট, কুইন্স কত নামের স্ত্রী যে আছে, জানা নেই জনের। মনেও নেই সবার নাম।
২৩ বছর বয়স থেকে বিয়ের ইনিংস শুরু করেছে জন। ৩৫ বছরে এসে করেছেন অপরাজিত ৯৪! ছয় মাস আগে জাপানে নিজের সর্বশেষ বিয়েটি সেরেছেন তিনি।
জন অ্যাড্রেসের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদক প্রশ্ন করেন, সংখ্যায় বিয়ের সেঞ্চুরি করবেন কবে? জন কিন্তু লাজুক হেসে ব্যাপারটা এড়িয়ে গিয়েছেন।
তবে মুখের লাজুক হাসি ধরে রেখেই জন জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মহিলাদের বিয়ে করাটা তাঁর শখ। তবে এই বিয়ে করার জন্য কারও কাছে মিথ্যা বলেন না জন। কোথাও কোনও লুকাছাপার গল্প নেই। ৯৪ জন স্ত্রীই জানেন তাদের আরও ৯৩ জন সতীন রয়েছেন।
কিন্তু এত মেয়েকে পটানোর কঠিন কাজটি কীভাবে করেন- জানতে চাইলে জন বলেন, আমি দেখতে খুব একটা খারাপ নই। আর ‘প্রেমটাও’ ভালো পারি। আর এভাবেই দেশে দেশে জুটিয়ে ফেলি বান্ধবী, পরে প্রেম। আর তারপর বিয়ে!
জনের দাবি, তিনি কখনও কাউকে ঠকাননি। অন্তত প্রেমের বিষয়ে তো নয়ই। বিয়ের আগে নিজের আগের সব প্রেম-পরিণয়ের কথা জানিয়ে দেন।
কিন্তু প্রশ্ন হল সবচেয়ে বেশি সময় জন কোন স্ত্রীর সঙ্গে কাটান? জন নিজেই বলেছেন, জার্মান স্ত্রী আনার সঙ্গে। আনা ছবি আঁকেন।
তবে অল্প একটু দুঃখও আছে জনের। এতজন ভালোবাসার মানুষের মধ্যে বছরে বড়জোড় পাঁচ থেকে ছয়জন স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয় তার। অনেকেই আবার তাকে ডিভোর্স দিয়ে নতুন করে সংসার পেতেছেন।
কেউ হয়তো তার কথা বেমালুম চেপে গিয়েছেন নতুন স্বামী পেয়ে। তবু দুঃখ নেই জনের মনে।
সেই নির্দিষ্ট সময়ে তার জন্য ‘স্ত্রীর’ ভালোবাসা তো সত্যি ছিল। এটুকু ভেবেই আত্মতৃপ্তির জাবর কাটেন ৯৪ স্ত্রীর স্বামী জন অ্যাড্রেস।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন