বর্তমানে ভারতে অসহিষ্ণুতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে৷ ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি চলছেই। এ নিয়ে নিজের জন্মদিনেই মুখ খুলেছেন বলি-বাদশা শাহরুখ খান।জন্মদিনে দেশজোড়া ফ্যানরা সেলিব্রেশনের মুডে৷
কিন্তু তিনি চিন্তিত দেশজুড়ে ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতা নিয়ে৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলি-বাদশা শাহরুখ জানালেন, ভারতে অসহিষ্ণুতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে৷
অতীতে এই অসহিষ্ণুতা নিয়ে বার বার সরব হয়েছেন শিল্পী ও সাহিত্যিকরা৷ কেউ কেউ ফিরিয়ে দিয়েছেন তাদের পুরস্কার৷ কেউ আবার তা নিয়ে সমালোচনাও করেছেন৷ বিভাজনের রাজনীতি রুখতে গিয়ে শিল্পীমহলেই পড়েছে বিভাজনের ছায়া৷
প্রথমসারির অনেক শিল্পীই এই বিষয়ে সরব হলেও, এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি বলিউডের তিন খানের কেউই৷ ভারতীয় সিনেমার পরিমণ্ডলে সুপারস্টার হিসেবে তাদের মতামতের প্রভাব যে অনেকখানি, সে কথা জানেন তারাও৷
তাই এবার অসিষ্ণুতা নিয়ে সরব হলেন শাহরুখ৷ কিং খানের মতে, দেশপ্রেমিক হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষ না হওয়াই এ দেশে সবথেকে ঘৃণ্য ‘ক্রাইম’৷
এই ইস্যুতে বহু শিল্পী-সাহিত্যিক-পরিচালক-বিজ্ঞানীরা তাদের পুরস্কার ফিরিয়ে দিলেও শাহরুখ নিজে এখনও কোনও পুরস্কার ফেরত দেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার প্রয়াস নিঃসন্দেহে সৎ ও আন্তরিক৷
অনেক কিছু বলার থাকলেও ‘স্টার’ হয়ে তিনি বলতে পারেননি বলেও জানান কিং খান৷ বলেন, বাক স্বাধীনতা নিয়ে অনেকে কথা বলেন৷ এখন আমার বাড়ির সামনে এসে অনেকে পাথর ছোঁড়েন৷ আমাকে তাহলে তাদের পাশেও দাঁড়াতে হয়৷
গেল সোমবার তার পঞ্চাশতম জন্মদিনে বিভিন্ন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তবে ভক্তদেরও নিরাশ করেননি তারকা। শুভেচ্ছা কুড়োতে শাহরুখ উঠে পড়লেন মন্নতের পাঁচিলে।
তা হলে এই প্রতিবাদের আবহে কিং খান নিজে ঠিক কোন দিকে? শাহরুখ খোলাখুলি বললেন, আমি জীবনে তেমন ভাবে বড় মাপের অর্থবহ কোনও বিষয়ের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পারিনি। কিন্তু যাঁরা সাহসী অবস্থান নিতে পারেন, নিচ্ছেন, আমি তাঁদের পাশে আছি।
পুণে ফিল্ম ইনস্টিটিউটের বিতর্কেও তার সমর্থন ছাত্রদের দিকে। তার কথায়, যা হচ্ছে, খুব অন্যায় হচ্ছে। গোটা ব্যাপারটাই খুব অস্বস্তিকর।
কিন্তু হলিউড তারকারা যে ভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক বিষয়ে মতামত দেন, এখানে তা হয় না কেন? সুপারস্টারের স্বীকারোক্তি, নিজের কাজটা করে যাওয়ার তাগিদে অনেক সময়ই চুপ করে থাকতে হয়। এই বাধ্যবাধকতাটা আমার কাছে খুব পীড়াদায়ক। কিন্তু নইলে আমি জানি, আমার বাড়িতে কেউ এসে পাথর ছুড়বে! কেউ আমার ছবি আটকে দেবে! আমেরিকায় এ রকম হয় না তো!
ভারতের মতো দেশে তিন শীর্ষ তারকাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, এটা কি ধর্মনিরপেক্ষতার চিহ্ন নয়? শাহরুখের উত্তর, যে দিন এই ভাবে কিছু নাম, কিছু পদবীকে সামনে এনে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ দেয়ার দরকার হবে না, আমরা আসলে সেই দিন ধর্মনিরপেক্ষ হব।
এদিকে অভিনেতা ও বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর শাহরুখ খানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শাহরুখকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী।
১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে জন্ম শাহরুখের। কলকাতার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টিম নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ। বাংলার সঙ্গে বাদশাহের যোগ তাই বেশ গভীর। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি নিয়মিত অতিথি।
কিন্তু তিনি চিন্তিত দেশজুড়ে ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতা নিয়ে৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলি-বাদশা শাহরুখ জানালেন, ভারতে অসহিষ্ণুতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে৷
অতীতে এই অসহিষ্ণুতা নিয়ে বার বার সরব হয়েছেন শিল্পী ও সাহিত্যিকরা৷ কেউ কেউ ফিরিয়ে দিয়েছেন তাদের পুরস্কার৷ কেউ আবার তা নিয়ে সমালোচনাও করেছেন৷ বিভাজনের রাজনীতি রুখতে গিয়ে শিল্পীমহলেই পড়েছে বিভাজনের ছায়া৷
প্রথমসারির অনেক শিল্পীই এই বিষয়ে সরব হলেও, এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি বলিউডের তিন খানের কেউই৷ ভারতীয় সিনেমার পরিমণ্ডলে সুপারস্টার হিসেবে তাদের মতামতের প্রভাব যে অনেকখানি, সে কথা জানেন তারাও৷
তাই এবার অসিষ্ণুতা নিয়ে সরব হলেন শাহরুখ৷ কিং খানের মতে, দেশপ্রেমিক হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষ না হওয়াই এ দেশে সবথেকে ঘৃণ্য ‘ক্রাইম’৷
এই ইস্যুতে বহু শিল্পী-সাহিত্যিক-পরিচালক-বিজ্ঞানীরা তাদের পুরস্কার ফিরিয়ে দিলেও শাহরুখ নিজে এখনও কোনও পুরস্কার ফেরত দেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার প্রয়াস নিঃসন্দেহে সৎ ও আন্তরিক৷
অনেক কিছু বলার থাকলেও ‘স্টার’ হয়ে তিনি বলতে পারেননি বলেও জানান কিং খান৷ বলেন, বাক স্বাধীনতা নিয়ে অনেকে কথা বলেন৷ এখন আমার বাড়ির সামনে এসে অনেকে পাথর ছোঁড়েন৷ আমাকে তাহলে তাদের পাশেও দাঁড়াতে হয়৷
গেল সোমবার তার পঞ্চাশতম জন্মদিনে বিভিন্ন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তবে ভক্তদেরও নিরাশ করেননি তারকা। শুভেচ্ছা কুড়োতে শাহরুখ উঠে পড়লেন মন্নতের পাঁচিলে।
তা হলে এই প্রতিবাদের আবহে কিং খান নিজে ঠিক কোন দিকে? শাহরুখ খোলাখুলি বললেন, আমি জীবনে তেমন ভাবে বড় মাপের অর্থবহ কোনও বিষয়ের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পারিনি। কিন্তু যাঁরা সাহসী অবস্থান নিতে পারেন, নিচ্ছেন, আমি তাঁদের পাশে আছি।
পুণে ফিল্ম ইনস্টিটিউটের বিতর্কেও তার সমর্থন ছাত্রদের দিকে। তার কথায়, যা হচ্ছে, খুব অন্যায় হচ্ছে। গোটা ব্যাপারটাই খুব অস্বস্তিকর।
কিন্তু হলিউড তারকারা যে ভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক বিষয়ে মতামত দেন, এখানে তা হয় না কেন? সুপারস্টারের স্বীকারোক্তি, নিজের কাজটা করে যাওয়ার তাগিদে অনেক সময়ই চুপ করে থাকতে হয়। এই বাধ্যবাধকতাটা আমার কাছে খুব পীড়াদায়ক। কিন্তু নইলে আমি জানি, আমার বাড়িতে কেউ এসে পাথর ছুড়বে! কেউ আমার ছবি আটকে দেবে! আমেরিকায় এ রকম হয় না তো!
ভারতের মতো দেশে তিন শীর্ষ তারকাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, এটা কি ধর্মনিরপেক্ষতার চিহ্ন নয়? শাহরুখের উত্তর, যে দিন এই ভাবে কিছু নাম, কিছু পদবীকে সামনে এনে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ দেয়ার দরকার হবে না, আমরা আসলে সেই দিন ধর্মনিরপেক্ষ হব।
এদিকে অভিনেতা ও বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর শাহরুখ খানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শাহরুখকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী।
১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে জন্ম শাহরুখের। কলকাতার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টিম নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ। বাংলার সঙ্গে বাদশাহের যোগ তাই বেশ গভীর। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি নিয়মিত অতিথি।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন