ঢাকা ৭ এপ্রিল: ঢাকায় অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও গণজাগরণ মঞ্চের নেতা মো. নাজিম উদ্দিন সামাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে খুন করা হয়েছে। এ হত্যার ঘটনায় উগ্রপন্থীদের সন্দেহ করা হচ্ছে। নাজিম ফেসবুক ও ব্লগসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখি করতেন।
বুধবার রাতে ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের ঋষিকেশ দাস লেনের একরামপুর মোড়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে লাশের সঙ্গে মানিব্যাগসহ অন্যান্য সরঞ্জাম পড়েছিল। এ হামলার ব্যাপারে নাজিমের ফেসবুকে তার কয়েক জন বন্ধু দাবি করেন, 'আল্লাহু আকবার' স্লোগান দিয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে আক্রমণ করেছিল।
নিহত নাজিম অনলাইনে ধর্মান্ধতার বিরোধিতা ছাড়াও রাজনৈতিক-সামাজিক ইস্যুতেও সোচ্চার ছিলেন। এমনকি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগেরও সমালোচনা করতেন তিনি।
গত ২ এপ্রিল এক পোস্টে সামাদ আওয়ামী ওলামা লীগ নিয়ে লেখেন, 'আওয়ামী ওলামা লীগ আর বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দুই বিপরীত মেরুর দুই বাসিন্দা। ওলামা লীগ কখনোই বাহাত্তরের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান চায়নি এবং চাইবে না।'
এছাড়াও নিহত হওয়ার আগে এক মাওলানার নারীবিদ্বেষী ওয়াজের অভিযোগ সম্বলিত ভিডিও শেয়ার করে তার সমালোচনাও করেছিলেন নাজিম।
গণজাগরণ মঞ্চের সিলেট বিভাগের সংগঠক ছিলেন বলেও জানিয়েছেন সংগঠনটির মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।
এদিকে পুলিশ বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধর্মান্ধতা বিরোধী ব্লগার, লেখক, প্রকাশক ও অ্যাক্টিভিস্টদের উপর চালানো আক্রমণ ও হত্যার ধরণের সঙ্গে নাজিম হত্যার ধরণের মধ্যেও বেশ মিল রয়েছে।
ঢাকার ওয়ারী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার নূরুল আমিন যুগান্তরকে বলেন, হত্যাকাণ্ডটি অত্যন্ত পরিকল্পিত। ৪-৫ জন আগে থেকেই ওই এলাকায় ওঁৎ পেতে ছিল। নাজিম গলিতে আসামাত্রই প্রথমে তাকে কুপিয়ে জখম করে। সে মাটিতে পড়ে গেলে পরে গুলি করা হয়। নিহত নাজিমের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার টোকাবরাউট গ্রামে।
ফেইসবুকে নাজিম নিজেকে সিলেট জেলা বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি কয়েক মাস আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আইন ব্ষিয়ে সান্ধ্যকালীন এলএলএম কোর্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হন। তার জন্ম ১৯৯০ সালে। এর আগে নাজিম সিলেটে লেখাপড়া করতেন। তবে জবিতে ভর্তি হওয়ার পর তিনি রাজধানীর ঋষিকেশ দাস লেনের একটি মেসে থাকতেন।
বুধবার রাতে ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের ঋষিকেশ দাস লেনের একরামপুর মোড়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে লাশের সঙ্গে মানিব্যাগসহ অন্যান্য সরঞ্জাম পড়েছিল। এ হামলার ব্যাপারে নাজিমের ফেসবুকে তার কয়েক জন বন্ধু দাবি করেন, 'আল্লাহু আকবার' স্লোগান দিয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে আক্রমণ করেছিল।
নিহত নাজিম অনলাইনে ধর্মান্ধতার বিরোধিতা ছাড়াও রাজনৈতিক-সামাজিক ইস্যুতেও সোচ্চার ছিলেন। এমনকি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগেরও সমালোচনা করতেন তিনি।
গত ২ এপ্রিল এক পোস্টে সামাদ আওয়ামী ওলামা লীগ নিয়ে লেখেন, 'আওয়ামী ওলামা লীগ আর বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দুই বিপরীত মেরুর দুই বাসিন্দা। ওলামা লীগ কখনোই বাহাত্তরের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান চায়নি এবং চাইবে না।'
এছাড়াও নিহত হওয়ার আগে এক মাওলানার নারীবিদ্বেষী ওয়াজের অভিযোগ সম্বলিত ভিডিও শেয়ার করে তার সমালোচনাও করেছিলেন নাজিম।
গণজাগরণ মঞ্চের সিলেট বিভাগের সংগঠক ছিলেন বলেও জানিয়েছেন সংগঠনটির মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।
এদিকে পুলিশ বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধর্মান্ধতা বিরোধী ব্লগার, লেখক, প্রকাশক ও অ্যাক্টিভিস্টদের উপর চালানো আক্রমণ ও হত্যার ধরণের সঙ্গে নাজিম হত্যার ধরণের মধ্যেও বেশ মিল রয়েছে।
ঢাকার ওয়ারী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার নূরুল আমিন যুগান্তরকে বলেন, হত্যাকাণ্ডটি অত্যন্ত পরিকল্পিত। ৪-৫ জন আগে থেকেই ওই এলাকায় ওঁৎ পেতে ছিল। নাজিম গলিতে আসামাত্রই প্রথমে তাকে কুপিয়ে জখম করে। সে মাটিতে পড়ে গেলে পরে গুলি করা হয়। নিহত নাজিমের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার টোকাবরাউট গ্রামে।
ফেইসবুকে নাজিম নিজেকে সিলেট জেলা বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি কয়েক মাস আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আইন ব্ষিয়ে সান্ধ্যকালীন এলএলএম কোর্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হন। তার জন্ম ১৯৯০ সালে। এর আগে নাজিম সিলেটে লেখাপড়া করতেন। তবে জবিতে ভর্তি হওয়ার পর তিনি রাজধানীর ঋষিকেশ দাস লেনের একটি মেসে থাকতেন।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন