দুই হাজার ১১৬ একর জায়গা জুড়ে সাজানো একটি গ্রাম। গ্রামটিতে বাড়ি রয়েছে ৪৩টি। তাতে দীর্ঘদিন ধরে অনেক পরিবার বাস করছে। এই গ্রামটির মালিক একটি পরিবার।
দেড়শ বছর আগে এটি কিনেছিলেন পরিবারটি। কিন্তু তাদের সর্বশেষ উত্তরাধিকারী, ইভ ডোনের মৃত্যু হয়েছে পাঁচবছর আগে।
লন্ডনের উত্তর ইয়র্কশায়ারের ওয়েস্ট হেসর্লেটন নামে আস্ত এই গ্রামটিই এখন বিক্রি হবে। এ জন্য নিলামে তোলা হয়েছে। এর প্রাথমিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে কুড়ি মিলিয়ন পাউন্ড।
এত্ত দাম তো কি হয়েছে! এর মধ্যেই দেশে বিদেশের অনেকেই গ্রামটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কোটিপতিদের জন্য ইয়ট, বাড়ি বা দামী গাড়ি কেনার সুযোগ সবসময়েই ছিল। কিন্তু এখন তাদের আস্ত একটি গ্রাম কেনার সুযোগ কার্যত হাতের মুঠোয়!
এ গ্রামের একটি অংশে আছে ২১টি শয়নকক্ষের বিশাল একটি অতিথিশালা। আছে একটি গির্জা, প্রাথমিক বিদ্যালয়, পানশালা, পেট্রোল পাম্প, এমনটি গ্যালারিসহ একটি খেলার মাঠও। এই সবকিছু নিয়েই পুরো গ্রামটি বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হয়েছে।
বিক্রির দায়িত্বে রয়েছে জমিজমা সংক্রান্ত একটি প্রতিষ্ঠান কান্ডালস। তাদের প্রতিনিধি টম ওয়াটসন জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই গ্রামটি বিক্রির কাজ শেষ হবে বলে তাদের ধারণা।
এখানকার ক্ষেতখামারের কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা হিসাবে প্রথম গ্রামটির পত্তন হয়। এরপর আস্তে আস্তে আরও অনেকেই থাকতে শুরু করেন। এই গ্রামের সব বাসিন্দা ভাড়ার বিনিময়ে এখানে থাকেন। সেই ভাড়াও খুব সামান্য।
টম ওয়াটসন বলেন, মালিক পরিবারটি চেয়েছে, সবসময়েই যেন এখানে একটি চমৎকার পরিবেশ গড়ে ওঠে। তাই তারা গ্রামটি থেকে অর্থকড়ির বিষয়টি খুব একটা ভাবেননি। এখন আর পরিবারটি গ্রামটি ধরে রাখতে চায় না বলে আমরা বিক্রির দায়িত্ব নিয়েছি। এই গ্রামে সব বয়সের, সব শ্রেণীর একটি বৈচিত্র্যময় সমাজ গড়ে উঠেছে।
মার্শা ক্লারা নামে গ্রামের এক বাসিন্দা একটি পানশালা চালান । কিন্তু গ্রাম বিক্রির এই সিদ্ধান্তে তিনি খানিকটা চিন্তিত। তবে নতুন মালিকও তাদের প্রতি যত্নবান হবেন বলেই তিনি আশা করছেন।
তিনি বলেন, হয়তো গ্রামে আমাদের যুগের শেষ হতে চলেছে। তবে আমার আশা, আমরা আবার চমৎকার একজন গ্রাম মালিক খুঁজে পাবো। হয়তো তিনি গ্রামের ঐতিহ্যগুলো আগের মতোই রক্ষা করবেন। হয়তো তারা আমাদের প্রতিও যত্নবান হবেন।
জন মাইলস নামে এই গ্রামের আরেক বাসিন্দা একবছর বয়স থেকে বাবা মায়ের সঙ্গে তিনি এই গ্রামে বাস করছেন। তিনি বলেন, আমার পুরো জীবন ধরেই আমি এখানে বাস করছি। আমার বয়স এখন ৭৯ বছর। একবছর বয়সে এখানে এসেছিলাম, অর্থাৎ ৭৮ বছর ধরে এই বাড়িতে আমি বাস করছি। কিন্তু গ্রামটি বিক্রি হয়ে গেলে আমার তো করার কিছু নেই। আশা করি, নতুন মালিকরা আমাদের জন্য ভালো হলে আমরাও তাদের জন্য ভালো হবো।
ইভ ডোনের মৃত্যুর পরই গ্রামটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় তার পরিবার। তবে এটা তাদের কাছেও ভালোলাগার কোন সিদ্ধান্ত ছিলনা।
ডোনের বোন ভেরেনা এলিয়ট বলেন, আমরা গ্রামটি ভালোবাসি। এখানে যারা বাস করেন, তাদের মতো এত বিশ্বস্ত আর চমৎকার গ্রামবাসী তেমন একটা দেখা যায়না। এখানে এমন একটা আন্তরিক সমাজ গড়ে উঠেছে, যা এখনকার দিনে খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন।
এর মধ্যেই তারা লন্ডন এবং বাইরের আরও কয়েকটি দেশ থেকে গ্রামটি কেনার বিষয়ে সাড়া পাওয়া গেছে বলেজমিজমা সংক্রান্ত একটি প্রতিষ্ঠান কান্ডালস জানিয়েছে।
এর আগেও লন্ডনে আরও কয়েকটি গ্রাম বিক্রির উদাহরণ রয়েছে।
দেড়শ বছর আগে এটি কিনেছিলেন পরিবারটি। কিন্তু তাদের সর্বশেষ উত্তরাধিকারী, ইভ ডোনের মৃত্যু হয়েছে পাঁচবছর আগে।
লন্ডনের উত্তর ইয়র্কশায়ারের ওয়েস্ট হেসর্লেটন নামে আস্ত এই গ্রামটিই এখন বিক্রি হবে। এ জন্য নিলামে তোলা হয়েছে। এর প্রাথমিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে কুড়ি মিলিয়ন পাউন্ড।
এত্ত দাম তো কি হয়েছে! এর মধ্যেই দেশে বিদেশের অনেকেই গ্রামটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কোটিপতিদের জন্য ইয়ট, বাড়ি বা দামী গাড়ি কেনার সুযোগ সবসময়েই ছিল। কিন্তু এখন তাদের আস্ত একটি গ্রাম কেনার সুযোগ কার্যত হাতের মুঠোয়!
এ গ্রামের একটি অংশে আছে ২১টি শয়নকক্ষের বিশাল একটি অতিথিশালা। আছে একটি গির্জা, প্রাথমিক বিদ্যালয়, পানশালা, পেট্রোল পাম্প, এমনটি গ্যালারিসহ একটি খেলার মাঠও। এই সবকিছু নিয়েই পুরো গ্রামটি বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হয়েছে।
বিক্রির দায়িত্বে রয়েছে জমিজমা সংক্রান্ত একটি প্রতিষ্ঠান কান্ডালস। তাদের প্রতিনিধি টম ওয়াটসন জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই গ্রামটি বিক্রির কাজ শেষ হবে বলে তাদের ধারণা।
এখানকার ক্ষেতখামারের কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা হিসাবে প্রথম গ্রামটির পত্তন হয়। এরপর আস্তে আস্তে আরও অনেকেই থাকতে শুরু করেন। এই গ্রামের সব বাসিন্দা ভাড়ার বিনিময়ে এখানে থাকেন। সেই ভাড়াও খুব সামান্য।
টম ওয়াটসন বলেন, মালিক পরিবারটি চেয়েছে, সবসময়েই যেন এখানে একটি চমৎকার পরিবেশ গড়ে ওঠে। তাই তারা গ্রামটি থেকে অর্থকড়ির বিষয়টি খুব একটা ভাবেননি। এখন আর পরিবারটি গ্রামটি ধরে রাখতে চায় না বলে আমরা বিক্রির দায়িত্ব নিয়েছি। এই গ্রামে সব বয়সের, সব শ্রেণীর একটি বৈচিত্র্যময় সমাজ গড়ে উঠেছে।
মার্শা ক্লারা নামে গ্রামের এক বাসিন্দা একটি পানশালা চালান । কিন্তু গ্রাম বিক্রির এই সিদ্ধান্তে তিনি খানিকটা চিন্তিত। তবে নতুন মালিকও তাদের প্রতি যত্নবান হবেন বলেই তিনি আশা করছেন।
তিনি বলেন, হয়তো গ্রামে আমাদের যুগের শেষ হতে চলেছে। তবে আমার আশা, আমরা আবার চমৎকার একজন গ্রাম মালিক খুঁজে পাবো। হয়তো তিনি গ্রামের ঐতিহ্যগুলো আগের মতোই রক্ষা করবেন। হয়তো তারা আমাদের প্রতিও যত্নবান হবেন।
জন মাইলস নামে এই গ্রামের আরেক বাসিন্দা একবছর বয়স থেকে বাবা মায়ের সঙ্গে তিনি এই গ্রামে বাস করছেন। তিনি বলেন, আমার পুরো জীবন ধরেই আমি এখানে বাস করছি। আমার বয়স এখন ৭৯ বছর। একবছর বয়সে এখানে এসেছিলাম, অর্থাৎ ৭৮ বছর ধরে এই বাড়িতে আমি বাস করছি। কিন্তু গ্রামটি বিক্রি হয়ে গেলে আমার তো করার কিছু নেই। আশা করি, নতুন মালিকরা আমাদের জন্য ভালো হলে আমরাও তাদের জন্য ভালো হবো।
ইভ ডোনের মৃত্যুর পরই গ্রামটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় তার পরিবার। তবে এটা তাদের কাছেও ভালোলাগার কোন সিদ্ধান্ত ছিলনা।
ডোনের বোন ভেরেনা এলিয়ট বলেন, আমরা গ্রামটি ভালোবাসি। এখানে যারা বাস করেন, তাদের মতো এত বিশ্বস্ত আর চমৎকার গ্রামবাসী তেমন একটা দেখা যায়না। এখানে এমন একটা আন্তরিক সমাজ গড়ে উঠেছে, যা এখনকার দিনে খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন।
এর মধ্যেই তারা লন্ডন এবং বাইরের আরও কয়েকটি দেশ থেকে গ্রামটি কেনার বিষয়ে সাড়া পাওয়া গেছে বলেজমিজমা সংক্রান্ত একটি প্রতিষ্ঠান কান্ডালস জানিয়েছে।
এর আগেও লন্ডনে আরও কয়েকটি গ্রাম বিক্রির উদাহরণ রয়েছে।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন