সাংবাদিক শফিক রেহমান ‘রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায়’ গ্রেফতার শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাকে পল্টন থানায় ২০১৫ সালে দায়ের হওয়া একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তার পাঁচ দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের লোকেরা শফিক রেহমানকে তুলে নিয়ে যান। ডিবি পরিচয়ধারীরা নিজেদের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য সাক্ষাৎকার নেয়ার কথা বলে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে শফিক রেহমানের বাসায় ঢোকেন। তবে বাসায় ঢোকার পরপরই নিজেদের ডিবি পুলিশের সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে তাদের সঙ্গে শফিক রেহমানকে যেতে বলেন। এ সময় বাসার বাবুর্চি তাদের বাধা দিলে তাকে মারধর করেন ডিবির সদস্যরা। পরে তারা শফিক রেহমানকে নিয়ে যান। শফিক রেহমানকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী তালেয়া রেহমান বাসার ভেতরের ঘরে অবস্থান করছিলেন। পরে তিনি বাসার বাবুর্চি ও দারোয়ানের কাছ থেকে ডিবির অভিযানের কথা জানেন। তালেয়া রেহমান বলেন, শফিক রেহমানকে গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যারা নিয়ে গেছেন তাদের একজনের পোশাকের পেছনে ডিবি লেখা দেখেছেন দারোয়ান।
গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডিবি উপকমিশনার জানান, ২০১৫ সালের আগস্টে পল্টন থানায় করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা মামলার তদন্ত করেছে ডিবি। এতে শফিক রেহমানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
যেভাবে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ডিবি উপকমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সর্দার শফিক রেহমানের গ্রেফতারের যে কারণ দেখিয়েছেন তাতে মনে হয়, প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্তের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ হিসেবে দেখে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে অথবা যে কোনো ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত নিঃসন্দেহে একটা অপরাধ, যদি সে ধরনের চক্রান্তের সঙ্গে কারও প্রকৃত সম্পৃক্ততা থাকে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্তের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কীভাবে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ হতে পারে এটা মোটেই বোধগম্য নয়। অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত নিয়ে অবশ্যই মামলা হতে পারে, কিন্তু এ ধরনের চেষ্টাকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ বিবেচনা করা নিঃসন্দেহে এক মারাত্মক ও বিপজ্জনক ব্যাপার। এর অর্থ দাঁড়ায়, প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রের সমার্থক!
প্রথম কথা হল, কোনো অপহরণ ও হত্যা মামলার সঙ্গে যদি কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পুলিশের কাছে থাকে, তাহলে তাকে গ্রেফতারের কিছু নিয়ম-কানুন আছে। অপহরণ চেষ্টার সঙ্গে যদি কারও সম্পৃক্ততা থাকে তাকে যথারীতি গ্রেফতার করা যায়। কিন্তু যেভাবে শফিক রেহমানের বাসায় ডিবির সদস্যরা মিথ্যা কথা বলে ঢুকে তাকে তুলে নিয়ে গেছেন, এর থেকে আশংকাজনক পরিস্থিতি দেশে আর কী হতে পারে? শফিক রেহমান দেশের একজন পরিচিত ও প্রবীণ সাংবাদিক। তার সঙ্গে সরকারের মতপার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু তাকে এভাবে গ্রেফতার করার কোনো আইনি এখতিয়ার পুলিশ বা সরকারের নেই। প্রকৃতপক্ষে সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী তাকে যেভাবে তুলে নেয়া হয়েছে, তার সঙ্গে পুলিশের আইনানুগ আচরণের কোনো সম্পর্ক নেই। পুলিশ কাউকে অপরাধী সন্দেহে গ্রেফতারের প্রয়োজন বোধ করলে তাকে নিয়ম-কানুন অনুযায়ী গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু নিজের বাসায় অবস্থানকারী একজন নাগরিকের বাসায় ধাক্কা দিয়ে প্রবেশ করে তাকে অপহরণের মতো করে তুলে নিয়ে যাওয়া অবশ্যই পুলিশের কাজ নয়। পুলিশকে যখন রাষ্ট্রের পুলিশ হিসেবে ব্যবহার না করে কোনো দলের খেদমতগার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, একমাত্র তখনই এ ধরনের ব্যাপার ঘটতে পারে।
বাংলাদেশে এখন তা-ই হচ্ছে। পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি এবং সরকারি দলের ঠেঙাড়ে বাহিনী বিরোধী পক্ষের লোকজনের ওপর শুধু যে নির্যাতন চালাচ্ছে তাই নয়, এ কাজ করতে গিয়ে তারা কোনো কিছুই পরোয়া করছে না। এছাড়া বিরোধী পক্ষীয় লোকদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা মামলা দিয়ে তারা তাদের দিনের পর দিন হয়রানি করছে। শুধু বিরোধী পক্ষের রাজনীতিকই নন, সাংবাদিকরা সরকারের কোনো সমালোচনা করলেও যে তাদের রেহাই দেয়া হচ্ছে না ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসংখ্য মামলা এর এক বড় উদাহরণ। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যেভাবে বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বেপরোয়াভাবে দায়ের করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে, তাতে শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে মামলার কোনো প্রকৃত ভিত্তি আছে কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। সরকারের নির্যাতন পদ্ধতির মধ্যে লক্ষ্য করা যায় যে, তারা অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে রাখে এবং নিজেদের সুবিধামতো ও প্রয়োজন অনুযায়ী সেই মামলার সূত্র ধরে তাদের গ্রেফতার করে। শফিক রেহমানের বিরুদ্ধেও পুলিশের ভাষ্যমতে মামলা করা হয়েছিল ২০১৫ সালের আগস্টে অর্থাৎ ৮ মাস আগে। এখন সেই মামলার কথা বলে তাকে তার বাসা থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে।
যেভাবে শফিক রেহমানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এটা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহ চরিত্রই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। এ দেশে এখন আইন-কানুন বলে কিছু নেই। কোনো অপরাধীর শাস্তি নেই, দেশ পরিণত হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি অপরাধীদের অভয়ারণ্যে। বেপরোয়া সরকারি নির্যাতন এমনভাবে চলছে, যাকে পরিপূর্ণ অরাজকতা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। সরকার নিজেই যখন এ অরাজকতা সৃষ্টির জন্য দায়ী, তখন সাধারণ গণতান্ত্রিক নিয়ম-কানুনের কারবার বলে আর কিছুই থাকে না, এটা বলাই বাহুল্য। বাংলাদেশ এখন সত্যিকার অর্থে পরিণত হয়েছে এক ত্রাসের রাজত্বে, ইংরেজিতে যাকে বলে reign of terror।
বদরুদ্দীন উমর : সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
সূত্র: দৈনিক যুগান্তর
শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের লোকেরা শফিক রেহমানকে তুলে নিয়ে যান। ডিবি পরিচয়ধারীরা নিজেদের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য সাক্ষাৎকার নেয়ার কথা বলে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে শফিক রেহমানের বাসায় ঢোকেন। তবে বাসায় ঢোকার পরপরই নিজেদের ডিবি পুলিশের সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে তাদের সঙ্গে শফিক রেহমানকে যেতে বলেন। এ সময় বাসার বাবুর্চি তাদের বাধা দিলে তাকে মারধর করেন ডিবির সদস্যরা। পরে তারা শফিক রেহমানকে নিয়ে যান। শফিক রেহমানকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী তালেয়া রেহমান বাসার ভেতরের ঘরে অবস্থান করছিলেন। পরে তিনি বাসার বাবুর্চি ও দারোয়ানের কাছ থেকে ডিবির অভিযানের কথা জানেন। তালেয়া রেহমান বলেন, শফিক রেহমানকে গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যারা নিয়ে গেছেন তাদের একজনের পোশাকের পেছনে ডিবি লেখা দেখেছেন দারোয়ান।
গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডিবি উপকমিশনার জানান, ২০১৫ সালের আগস্টে পল্টন থানায় করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা মামলার তদন্ত করেছে ডিবি। এতে শফিক রেহমানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
যেভাবে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ডিবি উপকমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সর্দার শফিক রেহমানের গ্রেফতারের যে কারণ দেখিয়েছেন তাতে মনে হয়, প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্তের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ হিসেবে দেখে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে অথবা যে কোনো ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত নিঃসন্দেহে একটা অপরাধ, যদি সে ধরনের চক্রান্তের সঙ্গে কারও প্রকৃত সম্পৃক্ততা থাকে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্তের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কীভাবে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ হতে পারে এটা মোটেই বোধগম্য নয়। অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত নিয়ে অবশ্যই মামলা হতে পারে, কিন্তু এ ধরনের চেষ্টাকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ বিবেচনা করা নিঃসন্দেহে এক মারাত্মক ও বিপজ্জনক ব্যাপার। এর অর্থ দাঁড়ায়, প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রের সমার্থক!
প্রথম কথা হল, কোনো অপহরণ ও হত্যা মামলার সঙ্গে যদি কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পুলিশের কাছে থাকে, তাহলে তাকে গ্রেফতারের কিছু নিয়ম-কানুন আছে। অপহরণ চেষ্টার সঙ্গে যদি কারও সম্পৃক্ততা থাকে তাকে যথারীতি গ্রেফতার করা যায়। কিন্তু যেভাবে শফিক রেহমানের বাসায় ডিবির সদস্যরা মিথ্যা কথা বলে ঢুকে তাকে তুলে নিয়ে গেছেন, এর থেকে আশংকাজনক পরিস্থিতি দেশে আর কী হতে পারে? শফিক রেহমান দেশের একজন পরিচিত ও প্রবীণ সাংবাদিক। তার সঙ্গে সরকারের মতপার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু তাকে এভাবে গ্রেফতার করার কোনো আইনি এখতিয়ার পুলিশ বা সরকারের নেই। প্রকৃতপক্ষে সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী তাকে যেভাবে তুলে নেয়া হয়েছে, তার সঙ্গে পুলিশের আইনানুগ আচরণের কোনো সম্পর্ক নেই। পুলিশ কাউকে অপরাধী সন্দেহে গ্রেফতারের প্রয়োজন বোধ করলে তাকে নিয়ম-কানুন অনুযায়ী গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু নিজের বাসায় অবস্থানকারী একজন নাগরিকের বাসায় ধাক্কা দিয়ে প্রবেশ করে তাকে অপহরণের মতো করে তুলে নিয়ে যাওয়া অবশ্যই পুলিশের কাজ নয়। পুলিশকে যখন রাষ্ট্রের পুলিশ হিসেবে ব্যবহার না করে কোনো দলের খেদমতগার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, একমাত্র তখনই এ ধরনের ব্যাপার ঘটতে পারে।
বাংলাদেশে এখন তা-ই হচ্ছে। পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি এবং সরকারি দলের ঠেঙাড়ে বাহিনী বিরোধী পক্ষের লোকজনের ওপর শুধু যে নির্যাতন চালাচ্ছে তাই নয়, এ কাজ করতে গিয়ে তারা কোনো কিছুই পরোয়া করছে না। এছাড়া বিরোধী পক্ষীয় লোকদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা মামলা দিয়ে তারা তাদের দিনের পর দিন হয়রানি করছে। শুধু বিরোধী পক্ষের রাজনীতিকই নন, সাংবাদিকরা সরকারের কোনো সমালোচনা করলেও যে তাদের রেহাই দেয়া হচ্ছে না ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসংখ্য মামলা এর এক বড় উদাহরণ। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যেভাবে বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বেপরোয়াভাবে দায়ের করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে, তাতে শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে মামলার কোনো প্রকৃত ভিত্তি আছে কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। সরকারের নির্যাতন পদ্ধতির মধ্যে লক্ষ্য করা যায় যে, তারা অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে রাখে এবং নিজেদের সুবিধামতো ও প্রয়োজন অনুযায়ী সেই মামলার সূত্র ধরে তাদের গ্রেফতার করে। শফিক রেহমানের বিরুদ্ধেও পুলিশের ভাষ্যমতে মামলা করা হয়েছিল ২০১৫ সালের আগস্টে অর্থাৎ ৮ মাস আগে। এখন সেই মামলার কথা বলে তাকে তার বাসা থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে।
যেভাবে শফিক রেহমানকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এটা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহ চরিত্রই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। এ দেশে এখন আইন-কানুন বলে কিছু নেই। কোনো অপরাধীর শাস্তি নেই, দেশ পরিণত হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি অপরাধীদের অভয়ারণ্যে। বেপরোয়া সরকারি নির্যাতন এমনভাবে চলছে, যাকে পরিপূর্ণ অরাজকতা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। সরকার নিজেই যখন এ অরাজকতা সৃষ্টির জন্য দায়ী, তখন সাধারণ গণতান্ত্রিক নিয়ম-কানুনের কারবার বলে আর কিছুই থাকে না, এটা বলাই বাহুল্য। বাংলাদেশ এখন সত্যিকার অর্থে পরিণত হয়েছে এক ত্রাসের রাজত্বে, ইংরেজিতে যাকে বলে reign of terror।
বদরুদ্দীন উমর : সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
সূত্র: দৈনিক যুগান্তর

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন