আলোর যথাযথ ব্যবহার করা না হলে তা মানুষের শরীর, মন এমনকি পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের বেলায় যতটা সম্ভব সুর্যের আলো ব্যবহার করাই ভালো। রাতে কৃত্রিম আলো।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের বেলায় কৃত্রিম আলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। তবে কাজের ধরণ ভেদে আলো যথোপযোগী হওয়া দরকার। এতে চোখের ক্ষতি কম হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সূক্ষ্ম কাজ যেমন ছোট সূচের কাজ বা গাঢ় সেলাই করার জন্য ৭০ থেকে ১৫০ ফুট দূরত্বে আলোর ব্যবস্থা করা দরকার। তেমনই মাঝারি কাজের জন্য, যেমন- পড়াশুনা করা ও লেখার জন্য ৩০ থেকে ৭০ ফুট দূরে এবং সাধারণ সেলাই, বড় অক্ষর পড়া ও পোশাক পড়ার জন্য ১০ থেকে ৩০ ফুট দূরত্বে আলোর ব্যবস্থা করা ভালো।
তবে সাধারণভাবে দেখা ও রান্না করার জন্য সাত থেকে ১৫ ফুট দূরত্বের আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মোটামুটি পথচলা ও দেখার জন্য অর্থাৎ খাবার ঘর, হল ও সিঁড়িতে তিন থেকে সাত ফুট দূরত্বে আলোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
এভাবে আলোক-পরিকল্পনা করা হলে তা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর খুব একটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা এই বিষয়গুলো না জেনেই নিজের ইচ্ছা খুশি মতো আলোর ব্যবস্থা করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের সব জায়গায় পর্যাপ্ত আলো অর্থাৎ যে আলো আরামদায়ক ও পরিবারের সকলের দৃষ্টিরশক্তি রক্ষা করে তেমন আলোর ব্যবস্থা করাই ভালো। নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য টেবিল ল্যাম্পের ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঘরে যদি আলোর কম থাকে বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয় তবে তা চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
অপর্যাপ্ত আলো কেবল চোখের ক্ষতিই করে না, এটি মানুষের মনের উপরও প্রভাব ফেলে। ফলে মেজাজ খিটমিটে হয়ে যায় ও মন সবসময়ই খারাপ থাকে।
এছাড়াও অতিরিক্ত আলো ত্বক সংবেদনশীল করে তোলে। অনেক গবেষণায় জানা গিয়েছে, যে অধিক কৃত্রিম আলোর ব্যবহার স্তন ক্যান্সারের জন্যও দায়ী।
শুধু মানব শরীরে নয়, কৃত্রিম আলো পরিবেশের জন্যও অনেক ক্ষতিকর।
আলো নিয়ে কাজ করে এমন বিশেষজ্ঞরা জানান, আজকাল শহরের আকাশে তারা দেখা যায় না। এর অন্যতম কারণ ‘স্কাইগ্লো’। শহরের উঁচু ভবন এবং এতে গভীর রাত পর্যন্ত কৃত্রিম আলোর ব্যবহার করায় তা আকাশে ‘স্কাইগ্লো’ সৃষ্টি করে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক। ফলে খালি চোখে তারা দেখা যায়না।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের বেলায় কৃত্রিম আলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। তবে কাজের ধরণ ভেদে আলো যথোপযোগী হওয়া দরকার। এতে চোখের ক্ষতি কম হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সূক্ষ্ম কাজ যেমন ছোট সূচের কাজ বা গাঢ় সেলাই করার জন্য ৭০ থেকে ১৫০ ফুট দূরত্বে আলোর ব্যবস্থা করা দরকার। তেমনই মাঝারি কাজের জন্য, যেমন- পড়াশুনা করা ও লেখার জন্য ৩০ থেকে ৭০ ফুট দূরে এবং সাধারণ সেলাই, বড় অক্ষর পড়া ও পোশাক পড়ার জন্য ১০ থেকে ৩০ ফুট দূরত্বে আলোর ব্যবস্থা করা ভালো।
তবে সাধারণভাবে দেখা ও রান্না করার জন্য সাত থেকে ১৫ ফুট দূরত্বের আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মোটামুটি পথচলা ও দেখার জন্য অর্থাৎ খাবার ঘর, হল ও সিঁড়িতে তিন থেকে সাত ফুট দূরত্বে আলোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
এভাবে আলোক-পরিকল্পনা করা হলে তা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর খুব একটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা এই বিষয়গুলো না জেনেই নিজের ইচ্ছা খুশি মতো আলোর ব্যবস্থা করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের সব জায়গায় পর্যাপ্ত আলো অর্থাৎ যে আলো আরামদায়ক ও পরিবারের সকলের দৃষ্টিরশক্তি রক্ষা করে তেমন আলোর ব্যবস্থা করাই ভালো। নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য টেবিল ল্যাম্পের ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঘরে যদি আলোর কম থাকে বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয় তবে তা চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
অপর্যাপ্ত আলো কেবল চোখের ক্ষতিই করে না, এটি মানুষের মনের উপরও প্রভাব ফেলে। ফলে মেজাজ খিটমিটে হয়ে যায় ও মন সবসময়ই খারাপ থাকে।
এছাড়াও অতিরিক্ত আলো ত্বক সংবেদনশীল করে তোলে। অনেক গবেষণায় জানা গিয়েছে, যে অধিক কৃত্রিম আলোর ব্যবহার স্তন ক্যান্সারের জন্যও দায়ী।
শুধু মানব শরীরে নয়, কৃত্রিম আলো পরিবেশের জন্যও অনেক ক্ষতিকর।
আলো নিয়ে কাজ করে এমন বিশেষজ্ঞরা জানান, আজকাল শহরের আকাশে তারা দেখা যায় না। এর অন্যতম কারণ ‘স্কাইগ্লো’। শহরের উঁচু ভবন এবং এতে গভীর রাত পর্যন্ত কৃত্রিম আলোর ব্যবহার করায় তা আকাশে ‘স্কাইগ্লো’ সৃষ্টি করে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক। ফলে খালি চোখে তারা দেখা যায়না।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন