যা দিয়ে তৈরি আমাদের বাড়ির হাঁড়িকুড়ি বাসন-কোসন। খাবারদাবারকে টাটকা রাখতে ব্যবহার করি যে ধাতুর তৈরি ফয়েল। এই ধাতুটি হলো অ্যালুমিনিয়াম, যা আমরা যথেচ্ছা ব্যবহার করি।
অথচ এই অ্যালুমিনিয়াম এক সময় এত দামি ছিল যে, তা শোভা পেত রাজার মুকুটে। শুনতে অবাক লাগলেও এক সময় এই অ্যালুমিনিয়ামই ছিল সোনার চেয়েও দামি।
জানা যায়, অ্যালুমিনিয়াম প্রথম আবিষ্কৃত হয় প্রায় ২০০০ বছর আগে রোমান সম্রাট টাইবেরিয়াসের আমলে। রোমান ইতিহাস থেকে জানা যায়, একবার এক লোক অদ্ভুত ধাতুতে তৈরি একটি প্লেট উপহার দেন সম্রাটকে। ধাতুটি ছিল রুপোর মতো দেখতে, এবং ওজনে ছিল অত্যন্ত হালকা।
ধারণা করা হয় ওই প্লেটটি ছিল অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। টাইবেরিয়াস এই প্লেট দেখে খুশি হওয়ার বদলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ওই আবিষ্কারকের প্রাণনাশের আদেশ দেন। এই নতুন ধাতুটি তৎকালীন রোমের সোনা ও রুপোর বাণিজ্যে ভাঙন ধরাতে পারে এমন ভয় ছিল সম্রাটের।
এর পর উনিশ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে আবিস্কৃত (পুনরাবিষ্কৃত) হয় অ্যালুমিনিয়াম। কিন্তু সেই সময় এর পরিমাণ ছিল খুবই অল্প। আর বক্সাইট আকরিক থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণের প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত জটিল। ফলে এই ধাতু হয়ে ওঠে দুর্মূল্য।
একটি হিসেব থেকে জানা যায়, ১৮৫৩ সালে আমেরিকায় প্রতি বছর ৯৩ হাজার ৩০০ কিলোগ্রাম সোনা উৎপাদন হতো, কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যেত মাত্র ৯৩ কেজি। ফলে তখন এই ধাতুটি স্বভাবতই দুর্মূল্য হয়ে ওঠে। আর ইউরোপে আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে ওঠে অ্যালুমিনিয়াম।
ডেনমার্কের সম্রাট দশম ক্রিশ্চিয়ান অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি মুকুট তৈরি করেন। তৃতীয় নেপোলিয়ন ডিনার টেবিলে অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বাসনকোসন ব্যবহার শুরু করেন। আর আমেরিকায় ওয়াশিংটন মনুমেন্টের শীর্ষে বসানো হয় অ্যালুমিনিয়ামের ফলক।
এর পর ১৮৮৬ সালে ইলেক্ট্রোলাইসিসের মাধ্যমে বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণের পদ্ধতি আবিষ্কৃত হলে এটি তৈরির ব্যয় কমে যায় অনেকখানি। উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। ফলে কমতে থাকে অ্যালুমিনিয়ামের দাম।
বিশ শতকের শেষ দিকে বাজার ছেয়ে যায় অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি জিনিসপত্রে। এখন তো আমাদের ঘরে ঘরে অ্যালুমিনিয়াম। অথচ এক সময় এই ধাতুটি ছিল সোনার চেয়েও মূল্যবান।
অথচ এই অ্যালুমিনিয়াম এক সময় এত দামি ছিল যে, তা শোভা পেত রাজার মুকুটে। শুনতে অবাক লাগলেও এক সময় এই অ্যালুমিনিয়ামই ছিল সোনার চেয়েও দামি।
জানা যায়, অ্যালুমিনিয়াম প্রথম আবিষ্কৃত হয় প্রায় ২০০০ বছর আগে রোমান সম্রাট টাইবেরিয়াসের আমলে। রোমান ইতিহাস থেকে জানা যায়, একবার এক লোক অদ্ভুত ধাতুতে তৈরি একটি প্লেট উপহার দেন সম্রাটকে। ধাতুটি ছিল রুপোর মতো দেখতে, এবং ওজনে ছিল অত্যন্ত হালকা।
ধারণা করা হয় ওই প্লেটটি ছিল অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। টাইবেরিয়াস এই প্লেট দেখে খুশি হওয়ার বদলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ওই আবিষ্কারকের প্রাণনাশের আদেশ দেন। এই নতুন ধাতুটি তৎকালীন রোমের সোনা ও রুপোর বাণিজ্যে ভাঙন ধরাতে পারে এমন ভয় ছিল সম্রাটের।
এর পর উনিশ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে আবিস্কৃত (পুনরাবিষ্কৃত) হয় অ্যালুমিনিয়াম। কিন্তু সেই সময় এর পরিমাণ ছিল খুবই অল্প। আর বক্সাইট আকরিক থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণের প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত জটিল। ফলে এই ধাতু হয়ে ওঠে দুর্মূল্য।
একটি হিসেব থেকে জানা যায়, ১৮৫৩ সালে আমেরিকায় প্রতি বছর ৯৩ হাজার ৩০০ কিলোগ্রাম সোনা উৎপাদন হতো, কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যেত মাত্র ৯৩ কেজি। ফলে তখন এই ধাতুটি স্বভাবতই দুর্মূল্য হয়ে ওঠে। আর ইউরোপে আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে ওঠে অ্যালুমিনিয়াম।
ডেনমার্কের সম্রাট দশম ক্রিশ্চিয়ান অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি মুকুট তৈরি করেন। তৃতীয় নেপোলিয়ন ডিনার টেবিলে অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বাসনকোসন ব্যবহার শুরু করেন। আর আমেরিকায় ওয়াশিংটন মনুমেন্টের শীর্ষে বসানো হয় অ্যালুমিনিয়ামের ফলক।
এর পর ১৮৮৬ সালে ইলেক্ট্রোলাইসিসের মাধ্যমে বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণের পদ্ধতি আবিষ্কৃত হলে এটি তৈরির ব্যয় কমে যায় অনেকখানি। উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। ফলে কমতে থাকে অ্যালুমিনিয়ামের দাম।
বিশ শতকের শেষ দিকে বাজার ছেয়ে যায় অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি জিনিসপত্রে। এখন তো আমাদের ঘরে ঘরে অ্যালুমিনিয়াম। অথচ এক সময় এই ধাতুটি ছিল সোনার চেয়েও মূল্যবান।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন