অভিনব জিনিসপত্র বানাতে চীনের জুড়ি মেলা ভার। এবার কৃত্রিম সূর্য বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিল বিশ্বকে!
পৃথিবী থেকে ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে থাকা একটা নক্ষত্র যার তাপমাত্রা ৫,৫০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অমন একখানা জিনিস বানাও কিভাবে সম্ভব?
অসম্ভবকেই এবার সম্ভব করে ফেলেছে চীনা বিজ্ঞানীরা। নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরের মাধ্যমে প্রায় ৫০ মিলিয়ন কেলভিন তাপমাত্রা তৈরি করা হয়েছিল। যা সূর্যের আসল তাপমাত্রা ১৫ মিলিয়ন কেলভিনের প্রায় তিনগুণ। তবে এই পুরো বিষয়টার স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১ মিনিট। এই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরের নাম এই গবেষণাটি হয়েছে চিনের জিয়াংসুতে ইনস্টিটিউট অফ প্লাজমা ফিজিক্সে।
সূর্যের ভিতরে কি ধরনের পারমাণবিক কার্যকলাপ চলছে, সেটা খুঁজে বের করাই ছিল এই গবেষণার মূল লক্ষ্য। এই EAST নামের এই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটর একটি উষ্ণ গ্যাস তৈরি করে, যার নাম প্লাজমা। সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে প্রচুর পরিমাণ শক্তি। সুতরাং কৃত্রিম সৌরশক্তি পাওয়ার গবেষণায় যে চিন একধাপ এগিয়ে গেল, সেকথা অস্বীকার করা যাবে না।
পৃথিবী থেকে ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে থাকা একটা নক্ষত্র যার তাপমাত্রা ৫,৫০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অমন একখানা জিনিস বানাও কিভাবে সম্ভব?
অসম্ভবকেই এবার সম্ভব করে ফেলেছে চীনা বিজ্ঞানীরা। নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরের মাধ্যমে প্রায় ৫০ মিলিয়ন কেলভিন তাপমাত্রা তৈরি করা হয়েছিল। যা সূর্যের আসল তাপমাত্রা ১৫ মিলিয়ন কেলভিনের প্রায় তিনগুণ। তবে এই পুরো বিষয়টার স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১ মিনিট। এই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরের নাম এই গবেষণাটি হয়েছে চিনের জিয়াংসুতে ইনস্টিটিউট অফ প্লাজমা ফিজিক্সে।
সূর্যের ভিতরে কি ধরনের পারমাণবিক কার্যকলাপ চলছে, সেটা খুঁজে বের করাই ছিল এই গবেষণার মূল লক্ষ্য। এই EAST নামের এই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটর একটি উষ্ণ গ্যাস তৈরি করে, যার নাম প্লাজমা। সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে প্রচুর পরিমাণ শক্তি। সুতরাং কৃত্রিম সৌরশক্তি পাওয়ার গবেষণায় যে চিন একধাপ এগিয়ে গেল, সেকথা অস্বীকার করা যাবে না।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন