'মহারাজ' সৌরভ গাঙ্গুলি চিঠি লিখলেন সতীর্থ সচিনকে। 'তোমার সঙ্গে আবার ওপেন করতে চাই', এই আবেদনই করলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। আবেদনে সারাও দিয়েছেন সচিন।
তবে দাদার কাছে একটা আবদারও রেখেছেন ক্রিকেট ঈশ্বর। অফ ড্রাইভটা ব্যাটের সুইট স্পট থেকেই আসুক, এটাই আবদার সচিনের।
অল স্টার টি-টোয়েন্টিতে সচিন'স ব্লাস্টারের হয়ে খেলবেন কলকাতার মহারাজ। আবারও সেই ইতিহাসের ছবি। ডানহাতি বাহাতি কম্বিনেশনে পৃথিবীর সেরা জুটি সচিন-সৌরভ, আশা করছি এই দাবি অকপটেই করা যায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন দুজনেই। একজন পেশাদার কমেন্টটর সঙ্গে বেঙ্গল ক্রিকেটের কর্মকর্তা। 'ঈশ্বরের আবার কর্ম কিসের'? তাই সচিন কেবল ক্রিকেটেই আছেন, বাকি সব কিছুতেই না।
দুজন আবার একসঙ্গে। ওপেন করার ইচ্ছা দাদার। ইচ্ছাপূরণ করলেন ক্রিকেট ঈশ্বর। আবার আবাদারও রাখলেন কলকাতার মহারাজের কাছে।
এদিকে ‘শেন ওয়ার্নের চ্যালেঞ্জ নিতে আমি প্রস্তুত, আপনি তৈরি তো?’ অল স্টার টি-টোয়েন্টির আগে নিজেকে এভাবেই ‘চাঙ্গা’ করছেন ক্রিকেটের ঈশ্বর স্যার সচিন রমেশ তেন্ডুলকর।
জোর কদমে চলছে প্র্যাকটিসও। খেলা থেকে অবসর নিয়েছেন ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে। ২২ গজকে প্রণাম করে যখন ফিরছিলেন, চোখে বৃষ্টি হয়েছিল ক্রিকেটের ভগবানেরও। উঠে দাঁড়িয়ে ছিল গোটা ওয়াংখেড়ে।
ক্রিকেট ঈশ্বর নিজের ক্রিকেট জীবনকে বিদায় জানিয়েছিলেন যে শব্দটা বলে, সেটা ছিল, গুড বাই।
ভগবানেরও বিদায় হয় নাকি। না, হয় না। তাই তো মাত্র ৭৩০টা দিন পরেই মাঠে ফিরছেন সচিন। 'চললাম' বললেই কি চলে যাওয়া যায়? না, যায় না। মাস্টার আবারও ব্যাট ধরবেন। চার ছক্কা হই হই হবেই...
ওয়াংখেড়ের সচিন সচিন উন্মাদনা এখন নিউইয়র্কেও। তবে সবুজ ঘাসের ২২ গজ নয়। একেবারে বিচ ক্রিকেট। স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসরা যে ভাবে ক্রিকেটকে আগ্রাসনের রূপ দিয়েছিলেন, স্যার সচিনও কি সেই পথেই?
তবে দাদার কাছে একটা আবদারও রেখেছেন ক্রিকেট ঈশ্বর। অফ ড্রাইভটা ব্যাটের সুইট স্পট থেকেই আসুক, এটাই আবদার সচিনের।
অল স্টার টি-টোয়েন্টিতে সচিন'স ব্লাস্টারের হয়ে খেলবেন কলকাতার মহারাজ। আবারও সেই ইতিহাসের ছবি। ডানহাতি বাহাতি কম্বিনেশনে পৃথিবীর সেরা জুটি সচিন-সৌরভ, আশা করছি এই দাবি অকপটেই করা যায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন দুজনেই। একজন পেশাদার কমেন্টটর সঙ্গে বেঙ্গল ক্রিকেটের কর্মকর্তা। 'ঈশ্বরের আবার কর্ম কিসের'? তাই সচিন কেবল ক্রিকেটেই আছেন, বাকি সব কিছুতেই না।
দুজন আবার একসঙ্গে। ওপেন করার ইচ্ছা দাদার। ইচ্ছাপূরণ করলেন ক্রিকেট ঈশ্বর। আবার আবাদারও রাখলেন কলকাতার মহারাজের কাছে।
এদিকে ‘শেন ওয়ার্নের চ্যালেঞ্জ নিতে আমি প্রস্তুত, আপনি তৈরি তো?’ অল স্টার টি-টোয়েন্টির আগে নিজেকে এভাবেই ‘চাঙ্গা’ করছেন ক্রিকেটের ঈশ্বর স্যার সচিন রমেশ তেন্ডুলকর।
জোর কদমে চলছে প্র্যাকটিসও। খেলা থেকে অবসর নিয়েছেন ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে। ২২ গজকে প্রণাম করে যখন ফিরছিলেন, চোখে বৃষ্টি হয়েছিল ক্রিকেটের ভগবানেরও। উঠে দাঁড়িয়ে ছিল গোটা ওয়াংখেড়ে।
ক্রিকেট ঈশ্বর নিজের ক্রিকেট জীবনকে বিদায় জানিয়েছিলেন যে শব্দটা বলে, সেটা ছিল, গুড বাই।
ভগবানেরও বিদায় হয় নাকি। না, হয় না। তাই তো মাত্র ৭৩০টা দিন পরেই মাঠে ফিরছেন সচিন। 'চললাম' বললেই কি চলে যাওয়া যায়? না, যায় না। মাস্টার আবারও ব্যাট ধরবেন। চার ছক্কা হই হই হবেই...
ওয়াংখেড়ের সচিন সচিন উন্মাদনা এখন নিউইয়র্কেও। তবে সবুজ ঘাসের ২২ গজ নয়। একেবারে বিচ ক্রিকেট। স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসরা যে ভাবে ক্রিকেটকে আগ্রাসনের রূপ দিয়েছিলেন, স্যার সচিনও কি সেই পথেই?


0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন