প্রস্তুতি ম্যাচের ফল নিয়ে কারোরই ভাবনার কিছু নেই। অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজার ফিটনেস পরখ করাই ছিল মুখ্য। মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, সাব্বির রহমানদেরও ফর্ম যাচাই করতে চেয়েছিলেন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।
সৌম্য ইনজুরিতে পড়ায় ইমরুল কায়েস ও এনামুল হক বিজয়ের ব্যাটিংও দেখার প্রয়োজন ছিল নির্বাচকদের। যাদের ঝালিয়ে নেয়ার প্রয়োজন ছিল, তারা প্রায় সবাই ভালো করেছেন।
জিম্বাবুয়েকে অপেক্ষাকৃতভাবে বাংলাদেশের চেয়ে দুর্বল মনে হচ্ছে। সেই তারাই কাল প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে জিতে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা দিল।
ফতুল্লায় প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিকদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা। বিসিবি একাদশ প্রথমে ব্যাট করে আট উইকেটে ২৭৭ রান করে। জবাবে তিন উইকেট হারিয়ে ৪৬.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে রানে নেই মুশফিকুর সিরিজ শুরুর আগে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন ৮৪ বলে ৮১ রান করে। তার ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছয়।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা বিসিবি একাদশের ইমরুল ও এনামুল দু’জনই হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। ওয়ানডে দলে ডাক পাওয়া ইমরুল ৫৬, এনামুল ৫২। লিটন শুরুটা করেছিলেন দুর্দান্ত। শেষটা ভালো করতে পারেননি।
গ্রায়েম ক্রেমারকে আগের বলে দারুণ একটা ছয় মেরে পরের বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৩ বলে এক চার ও দুই ছয়ে করেন ২৫ রান। সাব্বির রহমান ১১ বলে তিন রান।
আট উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭৭। জিম্বাবুয়ের ১০ জন বোলার বোলিং করেছেন। তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন ক্রেমার ও লুক জংগওয়ে।
ডেঙ্গু জ্বর থেকে সেরে উঠে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে বোলিং করলেন মাশরাফি। উইকেট না পেলেও সাত ওভার বোলিং করে এক মেডেনে দিয়েছেন ৩১ রান।
দুটি উইকেট নিয়েছেন সানজামুল ইসলাম। ক্রেগ আরভিনের ৯৫, শন উইলিয়ামসের ৫৪ (রিটায়ার্ড হার্ট) ও এল্টন চিগুম্বুরার ৬৪* ৪৬.৪ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে। সেঞ্চুরি মিস করা আরভিন বলেন, এই ম্যাচের মাধ্যমে আÍবিশ্বাস বাড়বে। শুরুটা ভালো করা সব সময় দারুণ।
হারলেও প্রস্তুতি ভালো হয়েছে বলে মনে করেন ইমরুল কায়েস। তিনি বলেন, প্রস্তুতি ম্যাচে হার প্রভাব ফেলবে না। সবার প্রস্তুতি ভালো হয়েছে এটাই আসল। আগামীকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে। সূত্র: দৈনিক যুগান্তর
সৌম্য ইনজুরিতে পড়ায় ইমরুল কায়েস ও এনামুল হক বিজয়ের ব্যাটিংও দেখার প্রয়োজন ছিল নির্বাচকদের। যাদের ঝালিয়ে নেয়ার প্রয়োজন ছিল, তারা প্রায় সবাই ভালো করেছেন।
জিম্বাবুয়েকে অপেক্ষাকৃতভাবে বাংলাদেশের চেয়ে দুর্বল মনে হচ্ছে। সেই তারাই কাল প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে জিতে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা দিল।
ফতুল্লায় প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিকদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা। বিসিবি একাদশ প্রথমে ব্যাট করে আট উইকেটে ২৭৭ রান করে। জবাবে তিন উইকেট হারিয়ে ৪৬.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে রানে নেই মুশফিকুর সিরিজ শুরুর আগে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন ৮৪ বলে ৮১ রান করে। তার ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছয়।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা বিসিবি একাদশের ইমরুল ও এনামুল দু’জনই হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। ওয়ানডে দলে ডাক পাওয়া ইমরুল ৫৬, এনামুল ৫২। লিটন শুরুটা করেছিলেন দুর্দান্ত। শেষটা ভালো করতে পারেননি।
গ্রায়েম ক্রেমারকে আগের বলে দারুণ একটা ছয় মেরে পরের বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৩ বলে এক চার ও দুই ছয়ে করেন ২৫ রান। সাব্বির রহমান ১১ বলে তিন রান।
আট উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭৭। জিম্বাবুয়ের ১০ জন বোলার বোলিং করেছেন। তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন ক্রেমার ও লুক জংগওয়ে।
ডেঙ্গু জ্বর থেকে সেরে উঠে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে বোলিং করলেন মাশরাফি। উইকেট না পেলেও সাত ওভার বোলিং করে এক মেডেনে দিয়েছেন ৩১ রান।
দুটি উইকেট নিয়েছেন সানজামুল ইসলাম। ক্রেগ আরভিনের ৯৫, শন উইলিয়ামসের ৫৪ (রিটায়ার্ড হার্ট) ও এল্টন চিগুম্বুরার ৬৪* ৪৬.৪ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে। সেঞ্চুরি মিস করা আরভিন বলেন, এই ম্যাচের মাধ্যমে আÍবিশ্বাস বাড়বে। শুরুটা ভালো করা সব সময় দারুণ।
হারলেও প্রস্তুতি ভালো হয়েছে বলে মনে করেন ইমরুল কায়েস। তিনি বলেন, প্রস্তুতি ম্যাচে হার প্রভাব ফেলবে না। সবার প্রস্তুতি ভালো হয়েছে এটাই আসল। আগামীকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে। সূত্র: দৈনিক যুগান্তর

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন