ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে হামলার পর এবার ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক জঙ্গি গ্রুপ ইসলামিক স্টেট (আইএস) রোম, লন্ডন ও ওয়াশিংটনে হামলার হুমকি দিয়েছে। প্যারিস হামলার কিছুক্ষণ আগে আইএসের করা একটি টুইট বার্তায় এমনটাই বলা হয়েছে।
সন্দেহভাজন একটি অ্যাকাউন্ট থেকে করা ওই টুইটে ইতালির রোম, যুক্তরাজ্যের লন্ডন এবং সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেও হামলা করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে। এক্সপ্রেস ডট কো. নিউইয়র্ক টাইম।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেভ্যুলেশনারি - অ্যাননরিভোল্ট নামে ওই টুইট অ্যাকাউন্ট থেকে প্যারিস সময় শুক্রবার রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে এই টুইটটি করা হয়। আর হামলার ঘটনা ঘটে প্যারিসের স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে। আইএসের নিয়ন্ত্রিত এই অ্যাকাউন্টটির প্রতি অনেকদিন ধরেই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নজর রাখছিলেন।
সিঙ্গাপুরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি
ফ্রান্সে হামলার পর সিঙ্গাপুরে শনিবার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্যারিসে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১২০ জন প্রাণ হারানোর পর দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে শানমুগাম এক বিবৃতিতে বলেন, এসব হামলার মানে বিশ্বের কোনো দেশই আর নিরাপদ নয়। এমনকি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যতই জোরদার হোক। তিনি বলেন, আমরাও আমাদের সতর্কতার স্তর বাড়িয়ে দিয়েছি।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ সীমান্তে তল্লাশি ও প্রহরা জোরদার করেছি। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরকে নিরাপদ ও নিশ্চিত রাখতে প্রত্যেকেরই ভূমিকা রাখতে হবে। সতর্ক থাকতে এবং সন্দেহজনক যে কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রিপোর্ট করতে আমরা সবাইকে উৎসাহিত করছি।
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হসিয়েন লুং ফেসবুকে তার পোস্টে প্যারিসের একাধিক হামলায় তার শোক প্রকাশ করে হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এএফপি।
নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শহরে সতর্কতা
প্যারিসে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, বোস্টনসহ বেশ কিছু শহরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে বলা হচ্ছে, শুধু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। খবর রয়টার্স।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের একটি সূত্র বলেছে, এরই মধ্যে তাদের কাউন্টার টেররিজম রেসপন্স কমান্ডের আওতায় থাকা বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সের দূতাবাসের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শহরের জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেখানে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। মূলত প্যারিসে হামলার পর পরই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর কত সংখ্যক অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।
নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও বলেন, এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা বিশ্বের যেখানেই ঘটুক না কেন, সেটি আমাদের একটি অতীত স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। ২০০১ সালে এই শহর ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছিল। সুতরাং আমাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সন্দেহভাজন একটি অ্যাকাউন্ট থেকে করা ওই টুইটে ইতালির রোম, যুক্তরাজ্যের লন্ডন এবং সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেও হামলা করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে। এক্সপ্রেস ডট কো. নিউইয়র্ক টাইম।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেভ্যুলেশনারি - অ্যাননরিভোল্ট নামে ওই টুইট অ্যাকাউন্ট থেকে প্যারিস সময় শুক্রবার রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে এই টুইটটি করা হয়। আর হামলার ঘটনা ঘটে প্যারিসের স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে। আইএসের নিয়ন্ত্রিত এই অ্যাকাউন্টটির প্রতি অনেকদিন ধরেই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নজর রাখছিলেন।
সিঙ্গাপুরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি
ফ্রান্সে হামলার পর সিঙ্গাপুরে শনিবার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্যারিসে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১২০ জন প্রাণ হারানোর পর দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে শানমুগাম এক বিবৃতিতে বলেন, এসব হামলার মানে বিশ্বের কোনো দেশই আর নিরাপদ নয়। এমনকি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যতই জোরদার হোক। তিনি বলেন, আমরাও আমাদের সতর্কতার স্তর বাড়িয়ে দিয়েছি।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ সীমান্তে তল্লাশি ও প্রহরা জোরদার করেছি। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরকে নিরাপদ ও নিশ্চিত রাখতে প্রত্যেকেরই ভূমিকা রাখতে হবে। সতর্ক থাকতে এবং সন্দেহজনক যে কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রিপোর্ট করতে আমরা সবাইকে উৎসাহিত করছি।
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হসিয়েন লুং ফেসবুকে তার পোস্টে প্যারিসের একাধিক হামলায় তার শোক প্রকাশ করে হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এএফপি।
নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শহরে সতর্কতা
প্যারিসে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, বোস্টনসহ বেশ কিছু শহরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে বলা হচ্ছে, শুধু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। খবর রয়টার্স।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের একটি সূত্র বলেছে, এরই মধ্যে তাদের কাউন্টার টেররিজম রেসপন্স কমান্ডের আওতায় থাকা বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সের দূতাবাসের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শহরের জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেখানে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। মূলত প্যারিসে হামলার পর পরই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর কত সংখ্যক অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।
নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও বলেন, এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা বিশ্বের যেখানেই ঘটুক না কেন, সেটি আমাদের একটি অতীত স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। ২০০১ সালে এই শহর ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছিল। সুতরাং আমাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন