শুরু হয়ে গেল প্যাঁচ প্যাঁচে বিরক্তিকর গরম। এই সময়ে ত্বকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি। এর থেকে শুরু হয় নানারকম সমস্যা। ত্বক তৈলাক্ত হলে তো কথাই নেই।
ঘাম-তেল সব একাকার হয়ে মুখের ঔজ্জ্বল্যতা নষ্ট হয়ে যায়। আর শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের সব থেকে বেশি সমস্যা রৌদে পুড়ে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকে সানটেন্ট দেখা দেয়, যা কম থাকতে যত্ন না নিলে এক সময় এ সমস্যা থেকে আর বের হওয়ার উপায় থাকে না।
হাতের কাছের কিছু ঘরোয়া জিনিস দিয়ে এবং একটু ধৈর্য নিয়ে এই সমস্যা থেকে বের হতে পারেন খুব সহজে। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আকাঙ্খাস গ্লামার ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার অ্যারোমা থেরাপিস্ট জুলিয়া আজাদ।
ত্বকের যে কোনো সমস্য থেকে বাঁচতে ত্বকের জন্য প্রত্যেকেই কম-বেশি অনেক কিছু করেন। জানা থাকলে হাতের কাছে কিছু জিনিস দিয়েই আপনি এ ধরনের সমস্যা থেকে দু-এক সপ্তাহে বের হয়ে যেতে পারবেন।
মুখের সানটেন্ট সারাতে আপনার প্রথমেই মুখের উপযুক্ত স্ক্রাব বানিয়ে নিতে হবে। এতে যা লাগবে তা হল- ১ চা চামচ বেকিং সোডা, ১ চা চামচ নর্মাল সল্ট, ১ চা চামচ মধু- সব একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মেশানোর আগেই মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিবেন। এ ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি আপনার জন্য ভালো কাজ করবে। মুখটা ধোয়ার পর আধভেজা অবস্থায় পুরো মুখে মিশ্রণটা লাগিয়ে হাল্কা হাতে সার্কুলার মুভমেন্টে ৩-৪ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে। এই ফেসিয়াল স্ক্রাব ব্যবহারে আপনার ত্বকের মরাকোষ ঝরে যাবে এবং ত্বকে এনে দেবে একটা সুদিং এফেক্ট।
এরপর দ্বিতীয় ধাপ, এতে যা লাগবে তা হল- ১ চা চামচ পাকা পেঁপে ম্যাস ও অর্ধেক লেবুর রস। আপনার ত্বকে লেবুতে এলার্জি থাকলে তার পরিবর্তে নিতে পারেন ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জুস অবশ্যই ফ্রেশ অ্যালোভেরা জুস নিতে হবে। সব একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর পুরো মুখে-গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট। সমানভাবে মুখে-গলায় ও ঘাড়ে ম্যাসাজ করবেন। ম্যাসাজ সব সময় আপ ওয়ার্ড ও আউট ওয়ার্ড মোশানে ম্যাসজ করুন। হাতকে কখনও নিচের দিকে টেনে আনবেন না। সব সময় কানের দিকে যাবে আপনার হাত। এরপর কান থেকে ঘাড়ের দিকে শেষে নর্মাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাকা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার জন্য আপনার ত্বকের ফাইনলাইন ঠিক করতে সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে তৈরি সানস্পট এবং ডার্ক স্পট এবং কালো হয়ে যাওয়া থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করবে। অ্যালোভেরা আপনার ত্বকে এনে দেবে টানটান তরতাজা ভাব, আর লেবু ন্যাচারাল ফেয়ারনেসের কাজ করবে। সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশে আপনার ত্বকের শুষ্কতা কাটিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
এরপর তৃতীয় ধাপ, এতে যা করতে হবে তা হল- ২ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার, ২ চা চামচ টক দই, ১ চা চামচ শসার রস। ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে পুরো মুখে-গলায় ও ঘাড়ে ব্রাশ দিয়ে লাগিয়ে নিন। চাইলে এ সময় শসা গ্রেট করে চোখে লাগতে পারেন। মাস্ক লাগানো হয়ে গেলে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন ভালো করে, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এরপর আপনার পছন্দের ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে মুখের সানস্পট ভালো হয়ে যাবে। এই সময় অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশনকে সঙ্গী করুন। সানটেন্ট আর পরবে না। আজকাল প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট আছে অনেক ধরনের। নিজে করার ধৈর্য না থাকলে কোনো ভালো পার্লারে গিয়ে এ ধরনের সেবা নিতে পারেন। তাতেও আপনি উপকৃত হবেন সমানভাবে।
ঘাম-তেল সব একাকার হয়ে মুখের ঔজ্জ্বল্যতা নষ্ট হয়ে যায়। আর শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের সব থেকে বেশি সমস্যা রৌদে পুড়ে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকে সানটেন্ট দেখা দেয়, যা কম থাকতে যত্ন না নিলে এক সময় এ সমস্যা থেকে আর বের হওয়ার উপায় থাকে না।
হাতের কাছের কিছু ঘরোয়া জিনিস দিয়ে এবং একটু ধৈর্য নিয়ে এই সমস্যা থেকে বের হতে পারেন খুব সহজে। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আকাঙ্খাস গ্লামার ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার অ্যারোমা থেরাপিস্ট জুলিয়া আজাদ।
ত্বকের যে কোনো সমস্য থেকে বাঁচতে ত্বকের জন্য প্রত্যেকেই কম-বেশি অনেক কিছু করেন। জানা থাকলে হাতের কাছে কিছু জিনিস দিয়েই আপনি এ ধরনের সমস্যা থেকে দু-এক সপ্তাহে বের হয়ে যেতে পারবেন।
মুখের সানটেন্ট সারাতে আপনার প্রথমেই মুখের উপযুক্ত স্ক্রাব বানিয়ে নিতে হবে। এতে যা লাগবে তা হল- ১ চা চামচ বেকিং সোডা, ১ চা চামচ নর্মাল সল্ট, ১ চা চামচ মধু- সব একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মেশানোর আগেই মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিবেন। এ ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি আপনার জন্য ভালো কাজ করবে। মুখটা ধোয়ার পর আধভেজা অবস্থায় পুরো মুখে মিশ্রণটা লাগিয়ে হাল্কা হাতে সার্কুলার মুভমেন্টে ৩-৪ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে। এই ফেসিয়াল স্ক্রাব ব্যবহারে আপনার ত্বকের মরাকোষ ঝরে যাবে এবং ত্বকে এনে দেবে একটা সুদিং এফেক্ট।
এরপর দ্বিতীয় ধাপ, এতে যা লাগবে তা হল- ১ চা চামচ পাকা পেঁপে ম্যাস ও অর্ধেক লেবুর রস। আপনার ত্বকে লেবুতে এলার্জি থাকলে তার পরিবর্তে নিতে পারেন ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জুস অবশ্যই ফ্রেশ অ্যালোভেরা জুস নিতে হবে। সব একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর পুরো মুখে-গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট। সমানভাবে মুখে-গলায় ও ঘাড়ে ম্যাসাজ করবেন। ম্যাসাজ সব সময় আপ ওয়ার্ড ও আউট ওয়ার্ড মোশানে ম্যাসজ করুন। হাতকে কখনও নিচের দিকে টেনে আনবেন না। সব সময় কানের দিকে যাবে আপনার হাত। এরপর কান থেকে ঘাড়ের দিকে শেষে নর্মাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাকা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার জন্য আপনার ত্বকের ফাইনলাইন ঠিক করতে সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে তৈরি সানস্পট এবং ডার্ক স্পট এবং কালো হয়ে যাওয়া থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করবে। অ্যালোভেরা আপনার ত্বকে এনে দেবে টানটান তরতাজা ভাব, আর লেবু ন্যাচারাল ফেয়ারনেসের কাজ করবে। সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশে আপনার ত্বকের শুষ্কতা কাটিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
এরপর তৃতীয় ধাপ, এতে যা করতে হবে তা হল- ২ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার, ২ চা চামচ টক দই, ১ চা চামচ শসার রস। ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে পুরো মুখে-গলায় ও ঘাড়ে ব্রাশ দিয়ে লাগিয়ে নিন। চাইলে এ সময় শসা গ্রেট করে চোখে লাগতে পারেন। মাস্ক লাগানো হয়ে গেলে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন ভালো করে, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এরপর আপনার পছন্দের ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে মুখের সানস্পট ভালো হয়ে যাবে। এই সময় অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশনকে সঙ্গী করুন। সানটেন্ট আর পরবে না। আজকাল প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট আছে অনেক ধরনের। নিজে করার ধৈর্য না থাকলে কোনো ভালো পার্লারে গিয়ে এ ধরনের সেবা নিতে পারেন। তাতেও আপনি উপকৃত হবেন সমানভাবে।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন