ছায়া রাষ্ট্রদূত বাঙালি চার নারী

চলতি বছরের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের নারীদের উৎসাহিত করতে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডস এবং ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতরা এ দেশেরই একজন করে চার নারীকে ছায়া রাষ্ট্রদূত মনোনীত করেন।
ছায়া রাষ্ট্রদূত হলেন- আমেরিকা দূতাবাসে তাসলিম কিবরিয়া অর্পা, ব্রাজিল দূতাবাসে মেহজাবিন খান, ডেনমার্ক দূতাবাসে তালবিয়া তানভীর এবং নেদারল্যান্ডস দূতাবাসে জায়বা তাহিয়া। লিখেছেন-
[ছায়া রাষ্ট্রদূত বাঙালি চার নারী]
বা দিক থেকে তাসলিম কিবরিয়া অর্পা, মেহজাবিন খান, তালবিয়া তানভীর এবং জায়বা তাহিয়া
নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে পারব : তাসলিম কিবরিয়া অর্পা

‘কেনেডি লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি প্রোগ্রাম’ বিষয়ক ২০১৩-১৪ সালে এক বছরের স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যান তাসলিম কিবরিয়া অর্পা। এই সূত্র ধরেই আমেরিকান দূতাবাসের সঙ্গে তার যোগাযোগ স্থাপন হয়। চলতি বছরের ২৮ ফেব্র“য়ারি আমেরিকান দূতাবাসের একজন জনসংযোগ কর্মকর্তা তাকে ফোন মারফত ছায়া রাষ্ট্রদূত মনোনীত করার কর্মসূচি সম্পর্কে অবগত করেন। পুরো বিষয়টি শুনে রাজি হয়ে যান তিনি। জনসংযোগ কর্মকর্তা ৩ মার্চ আমেরকান দূতাবাসে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান তাকে।

এ প্রসঙ্গে তাসলিম কিবরিয়া অর্পা বলেন, ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে আমেরিকান দূতাবাসে গিয়ে ওই জনসংযোগ কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করি। এরপর রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তিনি আমাকে দেখামাত্র নিজের করে নেন। আমার মনেই হয়নি এই প্রথম আমাদের সামনাসামনি আলাপ হচ্ছে। কিছুক্ষণ আলাপচারিতার পর তিনি আমাকে তার সঙ্গে হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁয়ে চেম্বার অব কমার্সের ইউএসে ট্রেড শোতে অংশ নেয়ার জন্য নিয়ে যান। সেখানে উপস্থিত বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি আমাকে ছায়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। তার বক্তব্য খুব মনোযোগ সহকারে শুনি। ট্রেড শোর বুথগুলো তার সঙ্গে ঘুরে ঘুরে দেখি। তিনি বুথের সদস্যদের সঙ্গে ছায়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন। ছায়া রাষ্ট্রদূত হওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কেও তাদের অবগত করেন।

এক দিনের ছায়া রাষ্ট্রদূত হওয়ার মধ্য দিয়ে কিভাবে নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন জানতে চাইলে তাসলিম কিবরিয়া অর্পা বলেন, আমাদের প্রান্তিক নারীরা কম মজুরিতে কাজ করছেন, তারা প্রান্তিক পর্যায় থেকে আরও প্রান্তিকের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের উন্নয়নে কর্ম পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে পারব।

তাসলিম কিবরিয়া অর্পা ঢাকার ধানমণ্ডি টিউটোরিয়াল থেকে ২০১৩ সালে ও’লেভেল করেন। বর্তমানে সিদ্দিকস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে এ’লেভেল করছেন। বাবা এমডি গোলাম কিবরিয়া একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মা লুৎফুন নাহার বেগম শিক্ষিকা। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

দেশের উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিব : মেহজাবিন খান

মেয়েদের সচেতনতা নিয়ে অনেক কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সেভাবে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। তরুণ-তরুণীদের আরও উদ্যোগী হতে হবে। তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বললেন ব্রাজিল দূতাবাসের ছায়া রাষ্ট্রদূত মেহজাবিন খান।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাজনীতি, উন্নয়ন, ব্যবসা ইত্যাদির মাধ্যমে নেতৃত্ব প্রদানে শিক্ষাগ্রহণ করে সেবামূলক কাজে অংশ নেয়ার এই কর্মসূচিকে বেগবান করতে ব্রাজিল দূতাবাস মেহজাবিন খানকে ৩০ মার্চ একদিনের জন্য ছায়া রাষ্ট্রদূত মনোনীত করে। এ প্রসঙ্গে মেহজাবিন খান বলেন, ব্রাজিল দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ওয়ানজা কেমপোস দা নবরেগা আমাকে আমন্ত্রণ জানান। তিনি আমাকে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন ছায়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে। এরপর তিনি আমাকে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি এও বলেন, এটি করতে নারী-পুরুষ উভয়কে মিলেই করতে হবে। তিনি আমাকে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত ব্রাজিল ও বাংলাদেশের ট্রেড বিষয়ক একটি সভায় নিয়ে যান। ব্রাজিল দূতাবাসের একজন সদস্য হিসেবে এই সভায় আমি অংশ নেই। এর ফলে অন্য দূতাবাসের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাই। এ ছাড়া কিভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা যায়, কূটনীতিকরা প্রতিদিন কিভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কাজ করেন এ ধারণাও জন্মে। যা আমাকে খুব আনন্দ দেয়।

মেহজাবিন ঢাকার একাডেমিয়া থেকে এ’লেভেল করছেন। এ’লেভেল সম্পন্ন করে তিনি একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক। তিনি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কমিউনিটি সেবামূলক কাজেও অংশ নিয়েছেন। ছেলেবেলা থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখে আসছেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করে দেশের উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিবেন।

এ প্রসঙ্গে মেহজাবিন খান বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে এটি একটি দৃষ্টান্ত। দলগতভাবে কাজ করলে যে কোনো কাজে সাফল্য আসবেই। নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়নে সমাজের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে দলগতভাবে কাজ করতে হবে।

অভিভূত হয়ে যাই : তালবিয়া তানভীর

ডেনিশ ফেসবুকে তিনটি প্রশ্ন ছিল, রাষ্ট্রদূত হওয়ার সুযোগ পেলে তিনি কী করবেন, বাংলাদেশের নারীরা প্রতিদিন কি কি সমস্যার সম্মুখীন হয়, রাষ্ট্রদূত হলে বাংলাদেশকে কিভাবে উপস্থাপন করবেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন তালবিয়া তানভীর। সাতদিনের মধ্যে ডেনমার্ক দূতাবাস থেকে তার পাসপোর্ট এবং জাতীয় সনদপত্রের ফটোকপি ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতে বলা হয়। এর এক সপ্তাহ পর তার ডাক পড়ে সাক্ষাৎকারের। সাক্ষাৎকারে তিনি জানতে পারেন ২০০ আবেদনের মধ্য থেকে তিনি ছায়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

একদিনের ছায়া রাষ্ট্রদূত হওয়ার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে তালবিয়া তানভীর বলেন, একদিনের এই ঘটনায় আমার জীবনের পরিবর্তন হয়েছে। ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূত হ্যানে ফুগল এসকেয়ার ৭ মার্চ আমাকে মীনা এনজিওর কর্মশালায় নিয়ে যান। সেখানে আমি রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতের তৈরি সুন্দর সুন্দর মাটির মূর্তি দেখি। যা দেখে অভিভূত হয়ে যাই। ওদের সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম ওরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। একদিনের অভিজ্ঞতায় এও বুঝলাম- রাজনীতি, উন্নয়ন এবং ব্যবসা একসঙ্গে করা সম্ভব যদি সবার সহযোগিতা থাকে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা বেশি প্রয়োজন। আরএমজিতে যেটা বেড়েছে তাতে বাংলাদেশকে এখন অনেকেই চেনে। জুট, লেদার, ফার্মাসিউটিক্যাল ইত্যাদিতে ইনভেস্ট করলে দেশ এগুবে।

নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক করেছেন তিনি। তিনি মনে করেন, তার এই পথচলায় বাবা-মায়ের অবদান অনেক। বাবা তানভীর আহমেদ একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী এবং মা রীমা করিম চৌধুরী গৃহিণী। দুই বোনের মধ্যে তিনি বড়।

আমার জীবনে একটা বড় প্রাপ্তি : জায়বা তাহিয়া

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফেসবুক অনলাইনে নারীর অধিকার বিষয়ক কয়েকটা প্রশ্ন দেয়া থাকে। ই-মেইলের মাধ্যমে সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে পাঠান জায়বা তাহিয়া। এই উত্তরের ভিত্তিতেই নেদারল্যান্ডস দূতাবাস তাকে সাক্ষাৎতের জন্য ডাকে। তাদের সঙ্গে প্রাথমিক একটি সভা হয়। এই সভায় তাকে ১১ এপ্রিল ছায়া রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনীত করে।

এ প্রসঙ্গে জায়বা তাহিয়া বলেন, ১১ এপ্রিল আমার জীবনে একটা বড় প্রাপ্তি। এমন অনুভূতি আগে কখনও হয়নি। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত লিওনি সুয়েলেনায়েরারের সঙ্গে সভা করি। তিনি দূতাবাসের সবার সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন ছায়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে। স্টাফ মিটিংয়ের সবার সঙ্গে তিনি মিষ্টি করে কথা বললেন, সবার মতামত গুরুত্ব সহকারে শুনলেন। তার কথা বলার ভঙ্গি দেখে মনেই হল না তিনি এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এরপর তার প্রজেক্টের সিদ্ধান্তগুলো নিলেন। এটা দেখে অভিভূত হয়ে গেলাম আমি। এরপর কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তিনি আমাকেসহ লাঞ্চ করলেন। লাঞ্চের ফাঁকে ফাঁকে বাংলাদেশের মেয়েদের বাল্যবিয়ে, ধর্ষণের শিকার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করলেন। এ সব প্রতিরোধে কি কি করা যায় এবং আমাদের দেখা ঘটনাগুলোও আলোচনায় স্থান পায়। এরপর বিকালে তিনি আমাকে নিয়ে ঢাকার করাইল বস্তিতে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ‘সখী প্রজেক্ট’ দেখতে যান। এই সংস্থার ‘সখী প্রজেক্টের’ মাধ্যমে কিশোরী মেয়েরা চেঞ্জমেকার হিসেবে কাজ করছে। ওরা নিজেরা সচেতন হচ্ছে, অন্যদেরও সচেতন করছে।

ঢাকায় বড় হওয়া জায়বা তাহিয়া আইএসডি স্কুল থেকে আইডি করেন। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব এসেক্স থেকে ক্রিমোনলজিতে স্নাতক করেন। দুই বোনের মধ্যে তিনি বড়। বাবা ব্যবসায়ী, মা গৃহিণী।

ছায়া রাষ্ট্রদূত ও নারীর ক্ষমতায়ন

বাংলাদেশী নারীদের মধ্য থেকে ছায়া রাষ্ট্রদূত মনোনীত করার চমৎকার ভাবনাটি ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত হ্যানে ফুগল এসকায়েরের। ছায়া রাষ্ট্রদূত মনোনয়নের মূল উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাজনীতি, উন্নয়ন, ব্যবসা ইত্যাদির মাধ্যমে একজন নারীর নেতৃত্ব প্রদানের অভিজ্ঞতা অর্জন। সেবামূলক কাজে অংশ নেয়ার মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করা।

ছায়া রাষ্ট্রদূতদের কর্মদিবসের মেয়াদ ২৪ ঘণ্টার বেশি এবং তাদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতরা বলেন, একমাত্র বাংলাদেশের তরুণীরাই ছায়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত হননি। আন্তর্জাতিকভাবে অনেকগুলো দেশের নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলে এখনই এ ব্যাপারে কোনো মতামত প্রদান করা সম্ভব নয়।

চার রাষ্ট্রদূত যা বললেন

আমেরিকার রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট

আমরা এই দেশের মেয়েশিশু ও নারীদের মঙ্গলের জন্য সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের পথ খুঁজছি। নারীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন বন্ধের জন্য যথাযথ তদন্ত ও স্বচ্ছ বিচারের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হওয়া দরকার। এ জন্য সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি জরুরি।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত হ্যানে ফুগল এসকায়ের

চারজন বাংলাদেশী তরুণীর বাস্তব জীবনের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই এই উদ্যোগ। নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলেই ব্যক্তিগত, স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ডেনমার্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশে একটি জাতীয় হেল্পলাইন চালু হয়েছে। ১০৯২১ এই নম্বরে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যাবে।

ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত ওয়ানজা কেমপোস দা নবরেগা

শিক্ষার মাধ্যমেই নারীর ক্ষমতায়ন শুরু হয়। জেন্ডার সমতার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব। ছায়া রাষ্ট্রদূত মনোনয়নের মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে বৈশ্বিক প্রচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এর ফলে বাংলাদেশের তরুণী ও নারীরা এই ক্ষমতায়নের সামিল হলেন।

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত লিওনি সুয়েলেনায়ের

বাংলাদেশের নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জেন্ডার সমতায় বাংলাদেশ অগ্রসর হয়েছে। বাল্যবিয়ে যৌন অধিকার, প্রজননস্বাস্থ্য, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ক সচেতনতা বাড়ছে। লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতাকারীদের অবশ্যই বিচার হতে হবে। কোনো দেশ যৌন নিপীড়ককে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে দিতে পারে না।
Share on Google Plus

About MONOJ SARKER

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন