ভূমিকম্পে আতংকিত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রস্তুত রাখতে হবে নিজেকে। অনেকেই ভূমিকম্প হলে অনেক বেশি আতংকিত হয়ে পড়েন এবং জীবন বাঁচাতে এমন কাজ করেন যা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চলুন জেনে নেয়া যাক ভূমিকম্প হলে কী করবেন-
* ভূমিকম্প হচ্ছে বুঝতে পারলে আতংকিত হয়ে পড়বেন না। মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করুন। ভূমিকম্প শুরু হলে সবার চলাফেরা যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলা দরকার। ঘরের মধ্যে থাকলে ভারি ও শক্ত টেবিলের নিচে ঢুকে যেতে হবে। ভারি ও শক্ত টেবিল না থাকলে মোটা বিমের নিচে দাঁড়ানো দরকার। দুটো বিমের সংযোগস্থলটি অধিকতর নিরাপদ। মাথা এবং মুখমণ্ডল হাত বা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে রাখা আবশ্যক। বিছানায় থাকলে বালিশ দিয়ে মুখ এবং মাথা ঢেকে রাখতে হবে। এর ফলে মাথা বা মুখের ক্ষতি কম হতে পারে। গ্লাস, জানালা, দরজা, আলমারি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে। মাথার ওপর থাকা ভারি লাইট, ঝাড়বাতি, ফ্যান ইত্যাদির সরাসরি নিচে অপেক্ষা করা যাবে না। বিছানায় শোয়া অবস্থায় থাকলে সেখানে থাকাটাই ভালো। কম্পন না থামা পর্যন্ত ঘরের মধ্যেই থাকতে হবে।
* মাথা ঠাণ্ডা রেখে জীবন বাঁচাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করুন। চট করে রান্নাঘরের গ্যাসের চুলার সুইচ বন্ধ করে ফেলুন। এতে করে বড় ধরনের অন্য দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে পারবেন। স্কুল, কলেজ বা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকলে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলব্যাগ মাথায় দিয়ে শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
* ঘরের বাইরে যেখানেই থাকুন না কেন বড় গাছ, উঁচুবাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটি ইত্যাদি থেকে দূরে খোলা কোনো স্থানে আশ্রয় নিন। গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি, হাসপাতাল, মার্কেট ও সিনেমা হলে থাকলে হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার জন্য দরজার সামনে ভিড় বা ধাক্কাধাক্কি করতে যাবেন না। যেখানে আছেন সেখানেই দুই হাতে মাথা ঢেকে বসে পড়ুন।
* দুর্ভাগ্যবশত ভাঙা দেয়ালের নিচে চাপা পড়লে অতিরিক্ত নড়াচড়া করে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করবেন না। কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন, যাতে ধুলাবালি শ্বাসনালিতে না ঢোকে।
* একবার ভূকম্পনের পর আবার ভূকম্পন হতে পারে। তাই ভবনের বাইরে থাকলে প্রথম কম্পনের পর যথেষ্ট সময় নিয়ে ভবনে প্রবেশ করতে হবে। যেসব ভবনের দেয়ালে বা পার্টিশনে বা বহিরাবরণে গ্লাস জাতীয় কিছু লাগানো থাকে, তীব্র ভূমিকম্পের সময় তা খুলে ছুটে আসতে পারে। জানালার কাচ উড়ে একটু দূরেও চলে যেতে পারে। সবকিছুকে বিবেচনায় রাখতে হবে।
* বেশি ওপরতলায় থাকলে কম্পন বা ঝাঁকুনি না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তাড়াহুড়ো করে লাফ দিয়ে বা লিফট ব্যবহার করে নামতে যাবেন না একেবারেই। কম্পন বা ঝাঁকুনি থামলে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে খোলা আকাশের নিচে চলে যান। গাড়িতে থাকলে ওভারব্রিজ, ফ্লাইওভার, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামিয়ে ফেলুন এবং ভূকম্পন না থামা পর্যন্ত গাড়ির ভেতরে থাকুন।
* ভূমিকম্পের যেহেতু আগাম কোনো সংকেত বা পূর্বাভাস পাওয়া যায় না; তাই ভূমিকম্পের সময় আতংকিত না হয়ে শান্ত থাকতে হবে। মনোবল ঠিক রেখে যতটা সম্ভব নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করতে হবে।
গ্রন্থনা : যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ
* ভূমিকম্প হচ্ছে বুঝতে পারলে আতংকিত হয়ে পড়বেন না। মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করুন। ভূমিকম্প শুরু হলে সবার চলাফেরা যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলা দরকার। ঘরের মধ্যে থাকলে ভারি ও শক্ত টেবিলের নিচে ঢুকে যেতে হবে। ভারি ও শক্ত টেবিল না থাকলে মোটা বিমের নিচে দাঁড়ানো দরকার। দুটো বিমের সংযোগস্থলটি অধিকতর নিরাপদ। মাথা এবং মুখমণ্ডল হাত বা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে রাখা আবশ্যক। বিছানায় থাকলে বালিশ দিয়ে মুখ এবং মাথা ঢেকে রাখতে হবে। এর ফলে মাথা বা মুখের ক্ষতি কম হতে পারে। গ্লাস, জানালা, দরজা, আলমারি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে। মাথার ওপর থাকা ভারি লাইট, ঝাড়বাতি, ফ্যান ইত্যাদির সরাসরি নিচে অপেক্ষা করা যাবে না। বিছানায় শোয়া অবস্থায় থাকলে সেখানে থাকাটাই ভালো। কম্পন না থামা পর্যন্ত ঘরের মধ্যেই থাকতে হবে।
* মাথা ঠাণ্ডা রেখে জীবন বাঁচাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করুন। চট করে রান্নাঘরের গ্যাসের চুলার সুইচ বন্ধ করে ফেলুন। এতে করে বড় ধরনের অন্য দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে পারবেন। স্কুল, কলেজ বা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকলে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলব্যাগ মাথায় দিয়ে শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
* ঘরের বাইরে যেখানেই থাকুন না কেন বড় গাছ, উঁচুবাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটি ইত্যাদি থেকে দূরে খোলা কোনো স্থানে আশ্রয় নিন। গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি, হাসপাতাল, মার্কেট ও সিনেমা হলে থাকলে হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার জন্য দরজার সামনে ভিড় বা ধাক্কাধাক্কি করতে যাবেন না। যেখানে আছেন সেখানেই দুই হাতে মাথা ঢেকে বসে পড়ুন।
* দুর্ভাগ্যবশত ভাঙা দেয়ালের নিচে চাপা পড়লে অতিরিক্ত নড়াচড়া করে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করবেন না। কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন, যাতে ধুলাবালি শ্বাসনালিতে না ঢোকে।
* একবার ভূকম্পনের পর আবার ভূকম্পন হতে পারে। তাই ভবনের বাইরে থাকলে প্রথম কম্পনের পর যথেষ্ট সময় নিয়ে ভবনে প্রবেশ করতে হবে। যেসব ভবনের দেয়ালে বা পার্টিশনে বা বহিরাবরণে গ্লাস জাতীয় কিছু লাগানো থাকে, তীব্র ভূমিকম্পের সময় তা খুলে ছুটে আসতে পারে। জানালার কাচ উড়ে একটু দূরেও চলে যেতে পারে। সবকিছুকে বিবেচনায় রাখতে হবে।
* বেশি ওপরতলায় থাকলে কম্পন বা ঝাঁকুনি না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তাড়াহুড়ো করে লাফ দিয়ে বা লিফট ব্যবহার করে নামতে যাবেন না একেবারেই। কম্পন বা ঝাঁকুনি থামলে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে খোলা আকাশের নিচে চলে যান। গাড়িতে থাকলে ওভারব্রিজ, ফ্লাইওভার, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামিয়ে ফেলুন এবং ভূকম্পন না থামা পর্যন্ত গাড়ির ভেতরে থাকুন।
* ভূমিকম্পের যেহেতু আগাম কোনো সংকেত বা পূর্বাভাস পাওয়া যায় না; তাই ভূমিকম্পের সময় আতংকিত না হয়ে শান্ত থাকতে হবে। মনোবল ঠিক রেখে যতটা সম্ভব নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করতে হবে।
গ্রন্থনা : যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন