আইপিএলে শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কেন দলটির নাম কলকাতা নাইট রাইডার্স হল? নামকরণের পিছনের গল্পটা কি জানেন কেউ? কেকেআর দলে নেই কোনও কলকাতার ক্রিকেটার।
যা নিয়ে কলকাতার সমর্থকরাই ক্ষুব্ধ। কলকাতার নিজস্বতার কোনও চিহ্ন নেই কেকেআর দলটায়। বাঙালি খেলোয়াড় বলতে এক বাংলাদেশী সাকিব আল হাসান। তাকেও বেশিরভাগ ম্যাচেই দলের বাইরে রাখা হয়।
সবাই ভেবেছিলেন, যেহেতু শাহরুখের দল কলকাতার তাই নামেও অন্তত কলকাত্তাইয়া একটা ব্যাপার থাকবে। বাঙালিয়ানার ছাপ দেখা যাবে। কিন্তু কোথায় কী! দলটার নাম রাখা হল নাইট রাইডার্স। যেহেতু কলকাতার দল, তাই নাইট রাইডার্সের আগে জুড়ে দেয়া হল কলকাতা শব্দটা। সব মিলিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
রবিঠাকুরের জন্মদিন অথবা পয়লা বৈশাখে কলকাতায় পা রাখলেই শাহরুখ বলে থাকেন, ‘‘আমিও কিন্তু টেগোর পড়েছি।’’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’ কবিতাটিও গড়গড় করে মুখস্থ বলে দিতে পারেন বাদশা। কিন্তু নিজের দলের নাম দেয়ার সময় বাঙালিয়ানার ছাপ নেই। শহরের নামটা ছাড়া আর কোনও পরিচিত শব্দই নেই, যা দেখে বা শুনে কলকাতার মানুষজন মনে করতে পারেন, দলটা তো আমাদেরও।
কেকেআর-এর নামকরণ করতে গিয়ে শাহরুখ নিজের ভালোলাগাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ভেবে দেখেননি কলকাতার মানুষের কথা। অবশ্য তিনি দলের মালিক। কর্তার ইচ্ছেতেই কর্ম হবে। তাই শাহরুখ তার দলের নাম দিয়েছেন নাইট রাইডার্স।
ঘটনা হল, ১৯৮২-তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাইট রাইডার নামে একটি সিরিয়াল খুবই জনপ্রিয় ছিল। সেখানে একটি গাড়ির কাণ্ডকারখানায় দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে থাকতেন। গাড়িটি নিজে নিজেই চলতে পারে, কথা বলতে পারে। এমনকী বিপদেও সাহায্য করতে পারে। সেই গাড়ির দৌলতেই কুখ্যাত সব অপরাধীরা কূপোকাত।
জনশ্রুতি বলে, অন্যান্য দর্শকদের মতোই শাহরুখেরও খুবই পছন্দের সিরিয়াল ছিল এই নাইট রাইডার। আর তাই যখন নিজের দল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নামবে, তখন সেই দলটিরও নাম দিলেন নাইট রাইডার্স।
অর্থাৎ সেই বিদেশি সুর লুকিয়ে রয়েছে কলকাতার দলের নামের সঙ্গে। দলের মালিক কলকাতার নন। অধিনায়কও কলকাতার বাইরের মানুষ। ক্রিকেটাররা গোটা বিশ্বের কিন্তু কেউ কলকাতার নন। দলের নামটাও বিদেশী সিরিয়াল থেকে ধার করা।
যা নিয়ে কলকাতার সমর্থকরাই ক্ষুব্ধ। কলকাতার নিজস্বতার কোনও চিহ্ন নেই কেকেআর দলটায়। বাঙালি খেলোয়াড় বলতে এক বাংলাদেশী সাকিব আল হাসান। তাকেও বেশিরভাগ ম্যাচেই দলের বাইরে রাখা হয়।
সবাই ভেবেছিলেন, যেহেতু শাহরুখের দল কলকাতার তাই নামেও অন্তত কলকাত্তাইয়া একটা ব্যাপার থাকবে। বাঙালিয়ানার ছাপ দেখা যাবে। কিন্তু কোথায় কী! দলটার নাম রাখা হল নাইট রাইডার্স। যেহেতু কলকাতার দল, তাই নাইট রাইডার্সের আগে জুড়ে দেয়া হল কলকাতা শব্দটা। সব মিলিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
রবিঠাকুরের জন্মদিন অথবা পয়লা বৈশাখে কলকাতায় পা রাখলেই শাহরুখ বলে থাকেন, ‘‘আমিও কিন্তু টেগোর পড়েছি।’’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’ কবিতাটিও গড়গড় করে মুখস্থ বলে দিতে পারেন বাদশা। কিন্তু নিজের দলের নাম দেয়ার সময় বাঙালিয়ানার ছাপ নেই। শহরের নামটা ছাড়া আর কোনও পরিচিত শব্দই নেই, যা দেখে বা শুনে কলকাতার মানুষজন মনে করতে পারেন, দলটা তো আমাদেরও।
কেকেআর-এর নামকরণ করতে গিয়ে শাহরুখ নিজের ভালোলাগাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ভেবে দেখেননি কলকাতার মানুষের কথা। অবশ্য তিনি দলের মালিক। কর্তার ইচ্ছেতেই কর্ম হবে। তাই শাহরুখ তার দলের নাম দিয়েছেন নাইট রাইডার্স।
ঘটনা হল, ১৯৮২-তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাইট রাইডার নামে একটি সিরিয়াল খুবই জনপ্রিয় ছিল। সেখানে একটি গাড়ির কাণ্ডকারখানায় দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে থাকতেন। গাড়িটি নিজে নিজেই চলতে পারে, কথা বলতে পারে। এমনকী বিপদেও সাহায্য করতে পারে। সেই গাড়ির দৌলতেই কুখ্যাত সব অপরাধীরা কূপোকাত।
জনশ্রুতি বলে, অন্যান্য দর্শকদের মতোই শাহরুখেরও খুবই পছন্দের সিরিয়াল ছিল এই নাইট রাইডার। আর তাই যখন নিজের দল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নামবে, তখন সেই দলটিরও নাম দিলেন নাইট রাইডার্স।
অর্থাৎ সেই বিদেশি সুর লুকিয়ে রয়েছে কলকাতার দলের নামের সঙ্গে। দলের মালিক কলকাতার নন। অধিনায়কও কলকাতার বাইরের মানুষ। ক্রিকেটাররা গোটা বিশ্বের কিন্তু কেউ কলকাতার নন। দলের নামটাও বিদেশী সিরিয়াল থেকে ধার করা।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন