ভারতের বিহার রাজ্যের ৯৭ বছর বয়সী রাজকুমার ভাইসা নালন্দা সম্প্রতি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ পরীক্ষা দিয়েছেন।
তার জন্ম ১৯২০ সালে। স্নাতক সম্পন্ন করেছেন ১৯৩৮ সালে। এরপর কেটে গেছে ৭৮ বছর। অবশেষে বসেছেন স্নাতকোত্তর পরীক্ষায়। খবর এনডিটিভির।
রাজকুমার অর্থনীতিতে এমএ পরীক্ষা দিয়েছেন। অপর পরীক্ষার্থীদের মতোই তিনি টানা তিন ঘণ্টা পরীক্ষাকক্ষে ছিলেন। ওই কক্ষে থাকা অপর পরীক্ষার্থীরা ছিলেন রাজকুমারের নাতি-নাতনির চেয়েও কম বয়সী।
নালন্দা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, রাজকুমারকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেখে পরীক্ষার্থীদের অনেকেই বিস্মিত হন।
জানা গেছে, রাজকুমার গত বছর স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হন। দুটি কারণে তিনি অর্থনীতিতে এমএ করছেন।
প্রথমত, তিনি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করতে চান। দ্বিতীয়ত ভারতের দারিদ্র্যের সমস্যাগুলো তিনি বুঝতে চান।
রাজকুমার ভাইসা বলেন, তিনি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। নিজের স্বপ্ন পূরণে মাত্র একধাপ বাকি তার।
ভারতের উত্তরপ্রদেশে ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেয়া রাজকুমার ভাইসা ১৯৮০ সালে ঝাড়খন্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক হিসেবে অবসর নেন।
অবশ্য চাকরিজীবনের আগেই ১৯৩৮ সালে আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং ১৯৪০ সালে আইনেও ডিগ্রি নেন।
তবে পরিবারের দায়িত্বের চাপে তার পক্ষে আর মাস্টার্স সম্পন্ন করা হয়নি।
জানা গেছে, স্ত্রীর মৃত্যুর পর গত ১০ বছর ধরে পাটনায় ছেলের সংসারে আছেন রাজকুমার ভাইসা। ছেলে সান্তোসের বয়সও ৭০। তিনি পাটনার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে অবসর নিয়েছেন। আর সন্তোষের স্ত্রী ভারতী (৬০) পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
তার জন্ম ১৯২০ সালে। স্নাতক সম্পন্ন করেছেন ১৯৩৮ সালে। এরপর কেটে গেছে ৭৮ বছর। অবশেষে বসেছেন স্নাতকোত্তর পরীক্ষায়। খবর এনডিটিভির।
রাজকুমার অর্থনীতিতে এমএ পরীক্ষা দিয়েছেন। অপর পরীক্ষার্থীদের মতোই তিনি টানা তিন ঘণ্টা পরীক্ষাকক্ষে ছিলেন। ওই কক্ষে থাকা অপর পরীক্ষার্থীরা ছিলেন রাজকুমারের নাতি-নাতনির চেয়েও কম বয়সী।
নালন্দা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, রাজকুমারকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেখে পরীক্ষার্থীদের অনেকেই বিস্মিত হন।
জানা গেছে, রাজকুমার গত বছর স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হন। দুটি কারণে তিনি অর্থনীতিতে এমএ করছেন।
প্রথমত, তিনি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করতে চান। দ্বিতীয়ত ভারতের দারিদ্র্যের সমস্যাগুলো তিনি বুঝতে চান।
রাজকুমার ভাইসা বলেন, তিনি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। নিজের স্বপ্ন পূরণে মাত্র একধাপ বাকি তার।
ভারতের উত্তরপ্রদেশে ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেয়া রাজকুমার ভাইসা ১৯৮০ সালে ঝাড়খন্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক হিসেবে অবসর নেন।
অবশ্য চাকরিজীবনের আগেই ১৯৩৮ সালে আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং ১৯৪০ সালে আইনেও ডিগ্রি নেন।
তবে পরিবারের দায়িত্বের চাপে তার পক্ষে আর মাস্টার্স সম্পন্ন করা হয়নি।
জানা গেছে, স্ত্রীর মৃত্যুর পর গত ১০ বছর ধরে পাটনায় ছেলের সংসারে আছেন রাজকুমার ভাইসা। ছেলে সান্তোসের বয়সও ৭০। তিনি পাটনার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে অবসর নিয়েছেন। আর সন্তোষের স্ত্রী ভারতী (৬০) পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন