ব্রোঞ্জ, রুপো এলেও রিও অলিম্পিক থেকে ভারতের ঝুলিতে কোনো সোনা আসেনি। কিন্তু অলিম্পিক শেষ হওয়ার পর পরই সে দুঃখ ভুলিয়ে দিলেন এক বৃদ্ধা। দেশকে সোনা এনে দিলেন ১০০ বছর এক বৃদ্ধা।
এই বয়সেও দেশের জন্য জান দিয়ে লড়লেন চণ্ডীগড়ের মন কউর। সোনা জিতলেন আমেরিকার মাস্টার্স গেমসে। মাত্র দেড় মিনিটে ১০০ মিটার দৌড়ে জিতেছেন মন কৌর। তাও আবার নিজের হাঁটুর বয়সী প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে। যাদের বয়স ৭০ থেকে ৮০-র মধ্যে।
ভ্যাঙ্কুভারে তিনি যখন ফিনিশ লাইনে পৌঁছান, তখন সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা। মিনিটখানেক সময় নেন কউর। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়... ঢক ঢক করে খানিকটা জল খান কউর।
তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের বেশিরভাগেরই বয়স ছিল ৭০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে। মন কউরের এই চেষ্টা নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্য অ্যাথলিটদের কাছে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
শুধু স্প্রিন্টেই নয়, কউর এর আগে শটপাট ও জাভেলিনেও সোনা জিতেছেন।
পরিবারের লোকেরা জানান, কউরের এই দৌড়ের নেশার পিছনে কিন্তু পুরো অংশে অনুপ্রেরণা তার পরিবার। বিশেষ করে ছেলে গুরুদেব সিংহের কথাতেই ৯৩ বছর বয়সে দৌড়নো শুরু করেন মন কৌর। সারা বিশ্বে বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় ২০টি মেডেল জিতেছেন মন কৌর।
মায়ের ১০০ মিটার দৌড়ে জেতার গুরদেব সিংহ বলেন, জেতার পর উনি দারুণ উচ্ছ্বসিত। ভাবছেন কত তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে গিয়ে জেতা মেডেলটি সকলকে দেখাবেন।
তিনি বলেন, আমি মাকে বলেছিলাম, তোমার কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। হাঁটু ব্যথা নেই, হার্টের সমস্যা নেই। তোমার দৌড় শুরু করা উচিত। আর এখন তো সব বয়স্ক মহিলাদের অনুপ্রেরণা আমার মা। তিনি সকলকে বলেন, তারা যেন ভুলভাল খাবার না খান। নিজেদের সন্তানদেরও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেও উদ্বুদ্ধ করেন।
এই বয়সে শরীরকে ফিট রাখার বিষয়ে চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা জানিয়েছেন, পৃথিবী উল্টে গেলেও রোজ সন্ধেয় দৌড়তে তিনি যাবেনই।
এই বয়সেও দেশের জন্য জান দিয়ে লড়লেন চণ্ডীগড়ের মন কউর। সোনা জিতলেন আমেরিকার মাস্টার্স গেমসে। মাত্র দেড় মিনিটে ১০০ মিটার দৌড়ে জিতেছেন মন কৌর। তাও আবার নিজের হাঁটুর বয়সী প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে। যাদের বয়স ৭০ থেকে ৮০-র মধ্যে।
ভ্যাঙ্কুভারে তিনি যখন ফিনিশ লাইনে পৌঁছান, তখন সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা। মিনিটখানেক সময় নেন কউর। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়... ঢক ঢক করে খানিকটা জল খান কউর।
তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের বেশিরভাগেরই বয়স ছিল ৭০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে। মন কউরের এই চেষ্টা নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্য অ্যাথলিটদের কাছে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
শুধু স্প্রিন্টেই নয়, কউর এর আগে শটপাট ও জাভেলিনেও সোনা জিতেছেন।
পরিবারের লোকেরা জানান, কউরের এই দৌড়ের নেশার পিছনে কিন্তু পুরো অংশে অনুপ্রেরণা তার পরিবার। বিশেষ করে ছেলে গুরুদেব সিংহের কথাতেই ৯৩ বছর বয়সে দৌড়নো শুরু করেন মন কৌর। সারা বিশ্বে বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় ২০টি মেডেল জিতেছেন মন কৌর।
মায়ের ১০০ মিটার দৌড়ে জেতার গুরদেব সিংহ বলেন, জেতার পর উনি দারুণ উচ্ছ্বসিত। ভাবছেন কত তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে গিয়ে জেতা মেডেলটি সকলকে দেখাবেন।
তিনি বলেন, আমি মাকে বলেছিলাম, তোমার কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। হাঁটু ব্যথা নেই, হার্টের সমস্যা নেই। তোমার দৌড় শুরু করা উচিত। আর এখন তো সব বয়স্ক মহিলাদের অনুপ্রেরণা আমার মা। তিনি সকলকে বলেন, তারা যেন ভুলভাল খাবার না খান। নিজেদের সন্তানদেরও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেও উদ্বুদ্ধ করেন।
এই বয়সে শরীরকে ফিট রাখার বিষয়ে চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা জানিয়েছেন, পৃথিবী উল্টে গেলেও রোজ সন্ধেয় দৌড়তে তিনি যাবেনই।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন